ডেস্ক রিপোর্ট
প্রিন্ট
শুক্রবার, ০৪ অক্টোবর ২০১৯
সর্বশেষ আপডেট : 10:05 pm
সহজে পাওয়া যাওয়া পুঁইশাকে ভয়াবহ অনেক রোগ থেকেই নিজেকে রাখতে পারেন নিরাপদ।
পুষ্টিগুণঃ অন্যান্য অনেক শাকের মতো এর মধ্যে অনেক ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, লৌহ, ও ক্যালসিয়াম আছে। এছাড়া ক্যালরির ঘনত্ব কম। ক্যালরি-প্রতি আমিষের পরিমাণও বেশি। এর মধ্যে ছিবড়ের পরিমাণ বেশি।
ভেষজগুণ ঃ পাতাসহ সমগ্র গাছ ভেষজ গুণাবলী সম্পন্ন। গনোরিয়া রোগে এটি উপকারী। অর্শ রোগে অতিরিক্ত স্রাব, অতিসার প্রভৃতিতে অন্যান্য উপদানের সঙ্গে পুঁই শাকের ব্যবহার আছে। পুঁই শাকের পাতার রস ছোটদের সর্দি, কোষ্ঠবদ্ধতা প্রভৃতিতে উপকার দেয়। পুঁই শাকের রস মাখলে গোদে আরাম হয়।
নিয়মিত পুঁইশাক খেলে পাইলস, ফিস্টুলা ও হেমোরয়েড হওয়ার সম্ভাবনা থাকে খুবই কম। পুঁইশাকে প্রচুর পরিমাণ আঁশ বা ফাইবার থাকে যা পাকস্থলী ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করে। যারা ব্রণের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য পুঁইশাক খুব ভালো।
পুষ্টিগুণ বেশি থাকায় এই শাক রোগপ্রতিরোধে বেশ কাজ করে থাকে।
পুঁইশাক দেহ থেকে সঠিকভাবে বর্জ্য নিষ্কাশন করে বদহজম, গ্যাস, অ্যাসিডিটিসহ নানা সমস্যা দূর করে।
পুঁইশাকের আছে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি গুণ। শরীরের কোনো অংশ আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ফুলে গেলে পুঁইশাকের শিকড় বেটে লাগালে দ্রুত উপশম হয়।
Posted ১০:০৫ পিএম | শুক্রবার, ০৪ অক্টোবর ২০১৯
The Daily Sarod | Pijush Kanti Acharya