অনলাইন ডেস্ক
প্রিন্ট
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : 6:22 pm
বাংলাদেশ, ভারত ও ভিয়েতনামে পোল্ট্রি মুরগির মাংসে নিরাপদ মাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত পরিমাণে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ওষুধের অবশিষ্টাংশ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি লন্ডনের রয়্যাল ভেটেরিনারি কলেজের (আরভিসি) এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা এএমআর বর্তমানে বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের উদ্বেগ হয়ে উঠেছে।
গবেষণার অংশ হিসেবে ২০২১ ও ২০২২ সালে তিন দেশ থেকে সংগ্রহ করা মোট ৫৫৮টি মুরগির বুকের মাংসের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এরপর নমুনাগুলো সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে পাঠানো হয়। সেখানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মানদণ্ড অনুযায়ী ৬৯ ধরনের পশুচিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের উপস্থিতি পরীক্ষা করা হয়।
গবেষণায় দেখা যায়, একাধিক নমুনায় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের অবশিষ্টাংশ নিরাপদ সীমার চেয়ে বেশি ছিল। নির্দিষ্ট কিছু খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র থেকে নেয়া নমুনার ৩ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ পর্যন্ত নিরাপত্তা সীমা অতিক্রম করেছে।
গবেষকদের মতে, পশুপাখিকে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ওষুধ দেয়ার পর নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অপেক্ষা না করে জবাই করা হলে মাংসে ওষুধের অবশিষ্টাংশ থেকে যেতে পারে। এসব অবশিষ্টাংশ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে এ ধরনের ওষুধের অবশিষ্টাংশ নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধিমালা রয়েছে। ফলে সেখানে নিরাপদ সীমার বেশি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল অবশিষ্টাংশ পাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল।
Posted ৬:২২ পিএম | শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬
The Daily Sarod | Pijush Kanti Acharya