শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রে ইউনূসকে হেনস্তাকারীদের ছাড় দেয়া হবে না: জাহেদ উর রহমান ট্রেনের ভুয়া টিকেট বানিয়ে বিক্রি, কালোবাজারিকে দণ্ড রিয়াদে বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ নিহত ১২ গণভোটের রায়কে উপেক্ষা করে বিএনপি দেশের মানুষের সাথে গাদ্দারি করেছে: মামুনুল হক শঙ্খ-উলুধ্বনিতে মুখরিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মহালয়ায় শুরু শারদোৎসব আন্তঃপ্রজন্ম সহযোগিতায় প্রবীণদের আয়মূলক কাজে সম্পৃক্তির আহ্বান বিজয়নগরে পুলিশের পিকআপ ভ্যান খাদে পড়ে পুলিশ ও আসামিসহ আহত ৫ সৌদি আরবের ৩০ কেজির পার্সেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৯ কেজি! তিতাস ট্রেনের বুকিং ক্লার্ককে মারধরের অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদর হাসপাতাল থেকে তিনদিনের নবজাতক চুরি

সরাইলে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে শিক্ষক করেন আল্ট্রাসনোগ্রাফি

আবুল হাসনাত রাফি   প্রিন্ট
সোমবার, ০২ ডিসেম্বর ২০১৯   সর্বশেষ আপডেট : 7:15 pm

সরাইলে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে শিক্ষক করেন আল্ট্রাসনোগ্রাফি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে দিনের পর দিন রোগীদের আল্ট্রাসনোগ্রাফি করে চলেছেন এক অবসর প্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে গড়ে উঠা হাজি খাইরুন ডিজিটাল এক্স-রে এন্ড আনন্দ মেডিকেল সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করেন সুশীল চন্দ্র দাস নামের একজন প্রাণী বিদ্যার শিক্ষক। সেই শিক্ষক তার আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা রিপোর্টের প্যাডে স্বাক্ষর সহ সীল ব্যবহার করেন। তার সীলে লেখা রয়েছে- সনোলজিস্ট, এমএসসি (জোলজি), সি-আল্ট্রা (বিসিইউএম), সি-আল্ট্রা(বি আই ইউ) এবং সহকারী অধ্যাপক ডিপার্টমেন্ট অব জোলজি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নাসিরনগর-সরাইল সড়কের পাশে সরাইল উচালিয়া পাড়ায় অবস্থিত হাজি খাইরুন ডিজিটাল এক্স-রে এন্ড আনন্দ মেডিকেল সেন্টার। এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পাশাপাশি সরাইল সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়। এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারেই প্রতিদিন রোগীদের আল্ট্রাসনোগ্রাফি করেন সুশীল চন্দ্র দাস নামের এক অবসর প্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক। সুশীল চন্দ্র দাস জেলার কসবা উপজেলার চারগাছ এন আই ভূঁইয়া ডিগ্রী কলেজের প্রাণী বিদ্যায় শিক্ষকতা করতেন। সেখান থেকে চাকরি ছেড়ে আসার পর ২০০৪সালে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধিনে সি- আল্ট্রা ডিপ্লোমা কোর্স করেন। এর পর থেকে তিনি নিয়মিত রোগীদের আল্ট্রাসনোগ্রাফি করে চলেছেন।

এ বিষয়ে ২৫০শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের আল্ট্রাসনোগ্রাফি বিশেষজ্ঞ ও কনসালটেন্ট (রেডিওলোজী) তোফায়েল হক বলেন, এই শিক্ষক যেসব ডিগ্রী ব্যবহার করেছেন তা সন্দেহজনক। তিনি কোন অবস্থাতেই আল্ট্রাসনোগ্রাফি করতে পারেন না। বাংলাদেশ মেডিক্যাল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) এই ডিপ্লোমা স্বীকৃত করে না। উনি যে সি-আল্ট্রা ডিগ্রী ব্যবহার করেছেন তা কেবল মাত্র একজন এমবিবিএস করা চিকিৎসকের কোর্স গ্রহণ যোগ্য। উনি কোন অবস্থাতেই আল্ট্রাসনোগ্রাফি করতে পারেন না

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন মোঃ শাহ আলম বলেন, শিক্ষকের এই বিষয়টি ইতিমধ্যে আমাদের নজরে এসেছে। তার আল্ট্রাসনোগ্রাফির বিষয়টি সন্দেহমূলক। আমরা তাকে এই বিষয়ে চিঠি দিয়ে বলব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে হাজির হতে। পাশাপাশি এর অনুলিপি জেলা প্রশাসন, র‍্যাব ও পুলিশ প্রশাসনকে দেওয়া হবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে।

এ বিষয়ে অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক সুশীল চন্দ্র দাস বলেন, আমি ২০০৪সালে আল্ট্রাসনোগ্রাফির উপর ডিপ্লোমা নিয়ে তা করছি। এর আগে প্রাণী বিদ্যার শিক্ষক ছিলাম। তবে শুধু এই ডিপ্লোমা দিয়ে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা যায় কিনা এই বিষয়ে সঠিক উত্তর দিতে পারেননি তিনি।

Facebook Comments Box

Posted ৭:১৫ পিএম | সোমবার, ০২ ডিসেম্বর ২০১৯

The Daily Sarod |