অনলাইন ডেস্ক
প্রিন্ট
শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
সর্বশেষ আপডেট : 3:05 pm
বৈশ্বিক ইন্টারনেট থেকে কিছুদিনের জন্য নিজেদের বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনা করছে রাশিয়া। সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখতে এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে দেশটি। তাহলে কীভাবে চলবে তারা?
বিবিসি বলছে, বর্তমানে যে ১২টি প্রতিষ্ঠান ডিএনএসের রুট সার্ভার দেখভাল করে, তার কোনোটিই রাশিয়ার নয়। তবে রাশিয়া ইতিমধ্যে মূল সার্ভারের বেশ কিছু কপি তৈরি করে নিয়েছে যাতে বহির্বিশ্বের সঙ্গে ইন্টারনেট যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও কাজ চালিয়ে নিতে সমস্যা না হয়।
ডিজিটাল নেটওয়ার্ক সিস্টেমে হাজার হাজার ক্রম বা শ্রেণি আছে। এই সব নেটওয়ার্ক রাউটার পয়েন্টের সঙ্গে যুক্ত থাকে। চেইনে এগুলোই হল সবচেয়ে দুর্বল লিংক। রাশিয়া ওই রাউটার পয়েন্টগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, যার মধ্যে দিয়ে ডাটা দেশ-বিদেশে আদান-প্রদান হয়।
চীনের ইন্টারনেট ব্যবস্থা এমন পদ্ধতির। তাদের রাউটার পয়েন্টগুলো বিভিন্ন ফিল্টারে চলে। একই সঙ্গে বিভিন্ন কীওয়ার্ড এবং নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট ব্লক করা থাকে। এর ফলে সরকার যেসব ওয়েবসাইট নাগরিকদের দেখাতে চায় না, সেগুলোতে কেউ প্রবেশ করতে পারেন না।
বিভিন্ন দেশের কিছু সময়ের জন্য ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার নজির আছে। ২০১৮ সালে মৌরিতানিয়ায় দুই দিন নেট ছিল না। সাগরের তলদেশ থেকে যে ফাইবার ক্যাবল দিয়ে নেট যায়, সেটি কোনো কারণে কেটে গিয়েছিল। রাশিয়া কত দিন বন্ধ রাখে; কিংবা চীনকে অনুসরণ করে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
কবে থেকে বন্ধ হতে পারে?
সংসদে ইতিমধ্যে এই আইনের খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। এপ্রিলের আগেই পুতিনের দেশ ইন্টারনেট থেকে আলাদা হয়ে যেতে পারে।
খসড়া আইনকে বলা হচ্ছে ডিজিটাল ইকোনমি ন্যাশনাল প্রোগ্রাম। বাস্তবায়ন হওয়ার আগে রাশিয়ার ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান আইএসপি’র কয়েকটি বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। বৈদেশিক কাজকর্ম থেকে যেন দেশ আলাদা না হয়ে যায়, সেটি প্রথমে খতিয়ে দেখতে হবে তাদের।
আইএসপি সরকারের সিদ্ধান্তে সহমত পোষণ করলেও কীভাবে কাজটি করা হবে সেটি নিয়ে দ্বিধায় আছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এর ফলে দেশের ইন্টারনেট ট্রাফিক বড় ধরনের বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
Posted ৩:০৫ পিএম | শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
dainiksarod | Pijush Kanti Acharya