অনলাইন ডেস্ক
প্রিন্ট
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : 11:38 am
গতকাল বুধবারই (৮ জুলাই) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, রাতেই ইরানের আরও তীব্র আক্রমণ করা হবে। বাস্তবে সেটাই হলো। ইরানের সরকারি মিডিয়া জানিয়েছে, বন্দর আব্বাস ও সিরিকে একাধিক বিস্ফোরণ হয়েছে। ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরান ব্রডকাস্টিং(আইআরআইবি) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীর আবু মিসা দ্বীপে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। চাবাহারে প্রজেক্টাইলের শার্পনেল হাসপাতালে গিয়ে আঘাত করেছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, মঙ্গলবারের তুলনায় অনেক তীব্র আক্রমণ চালিয়েছে অ্যামেরিকা।
মঙ্গলবার মার্কিন সেন্ট্রাল কম্যান্ড জানায়, তারা ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যে আঘাত করেছে। তার মধ্যে ইরানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, কোস্টাল রেডার কেন্দ্র ও রেভলিউশনারি গার্ডের ৬০টি ছোট নৌকাও ছিল।
রেভলিউশনারি গার্ড জানিয়েছে, তারা কুয়েত ও বাহরাইনে বুধবার সারারাত ধরে হামলা করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, বুধবার রাতে যে আক্রমণ হয়েছে, তা প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য হয়েছে।
তার সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে কোনো মন্তব্য ছাড়া বেশ কিছু ভিডিও পোস্ট করেছেন ট্রাম্প। সম্ভবত সেগুলি ইরানের উপর মিসাইল হামলার ভিডিও।
ট্রাম্প বলেছেন, যদি আবার আক্রমণ হয়, তাহলে তার (প্রতিক্রিয়া) আরো খারাপ হবে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির চুক্তি আর নেই।
বাহরাইনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সকালে বলেছেন, রাজধানী মানামাতে বিমান হামলার সাইরেন বেজেছে।
বুধবার ইরান বাহরাইনে হামলা করেছে। রয়টার্স জানাচ্ছে, কাতারে আবাসিকরা ‘অল ক্লিয়ার’ বার্তা পাওয়ার পর মোবাইলে আরো বাড়তি নিরাপত্তার সতর্কবার্তা পেয়েছেন। কাতার ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক স্থাপনা আছে।
অন্যদিকে ইরানের প্রধান মধ্যস্থতাকারী যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, হরমুজ প্রণালী শুধুমাত্র ইরানের শর্তেই খুলতে পারে
সূত্র: ডয়চে ভেলে
Posted ১১:৩৮ এএম | বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
dainiksarod | Pijush Kanti Acharya