মো: মোশারফ হোসেন,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,সরাইল
প্রিন্ট
শুক্রবার, ০৯ মে ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট : ১:৪৯ অপরাহ্ণ
টর্নেডো এক ধরনের ঝড়, যা বায়ুস্তম্ভের আকারে সৃষ্ট প্রচণ্ড বেগে ঘূর্ণায়মান ঝড় যা মেঘ, যা পৃথিবীপৃষ্ঠের সাথে সংযুক্ত থাকে। টর্নেডোর আকৃতি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এটি দৃশ্যমান ঘনীভূত ফানেল আকৃতির হয়, যার চিকন অংশটি ভূপৃষ্ঠকে স্পর্শ করে এবং এটি প্রায়শই বর্জ্যের মেঘ দ্বারা ঘিরে থাকে। “টর্নেডো” শব্দটির উৎস নিয়ে ভাষাতাত্ত্বিকদের মধ্যে কিছু মতভেদ থাকলেও অধিকাংশ গবেষকের মতে, এটি স্প্যানিশ অথবা লাতিন ভাষা থেকে উদ্ভূত। ধারণা করা হয়, শব্দটি এসেছে স্প্যানিশ “tronada” থেকে, যার অর্থ “বজ্রঝড়”, অথবা “tornar”, যার অর্থ “ঘোরা” বা “ফিরে আসা”। আবার অনেকে মনে করেন শব্দটি লাতিন “tonare” (অর্থাৎ “বজ্রপাতের শব্দ”) থেকে উদ্ভূত। ইংরেজি ভাষায় ‘টর্নেডো’ শব্দের ব্যবহার শুরু হয় আনুমানিক ১৫৮০ সাল থেকে। পরবর্তীকালে শব্দটি বিশেষভাবে এমন এক ধরনের ঘূর্ণায়মান ও ধ্বংসাত্মক বায়ুস্তম্ভ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা বজ্রঝড় থেকে উদ্ভূত হয়ে ভূমিতে নেমে আসে। বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ভাষায় টর্নেডোর বিভিন্ন নাম থাকলেও আন্তর্জাতিকভাবে “Tornado” নামটিই বেশি পরিচিত ও ব্যবহারযোগ্য। জাপানি ভাষায়: 竜巻 (তাতসুমাকি), অর্থ “ড্রাগনের মতো ঘূর্ণি”। বাংলা ভাষায় একে অনেক সময় “ঘূর্ণি ঝড়” বা “বায়ুঘূর্ণি” বলা হয়, তবে ‘টর্নেডো’ শব্দটি বর্তমানে অধিক প্রচলিত। শব্দটির মধ্যেই ঘূর্ণি, হঠাৎতা এবং বজ্রসহ বায়ুপ্রবাহের শক্তির প্রতিচ্ছবি স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে, যা একে প্রকৃতির ভয়ংকর ও অপ্রতিরোধ্য শক্তির প্রতীক হিসেবে দাঁড় করায়। শীতের শেষ থেকে বর্ষার শুরু এই সময়টাতেই টর্নেডো হানা দেয় বেশি। এটি কয়েক সেকেন্ড থেকে শুরু করে এক ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়। তবে অধিকাংশই স্থায়ী হয় মিনিট দশেক।
আবহাওয়া বিজ্ঞানের শব্দকোষ অনুযায়ী, টর্নেডো হল প্রচণ্ডবেগে ঘূর্ণনরত একটি বায়ুস্তম্ভ, যা ভূপৃষ্ঠের সংস্পর্শে একটি কিউমুলিফর্ম মেঘ থেকে ঝুলন্ত বা এর নীচে থাকে, এবং প্রায়শই (কিন্তু সবসময় নয়) একটি ফানেলাকৃতির মেঘ হিসেবে দৃশ্যমান থাকে। আরো বিশদভাবে বললে, টর্নেডো হলো একটি ঘূর্ণায়মান বায়ুস্তম্ভ যা বজ্রঝড় বা সুপারসেল থেকে উৎপন্ন হয় এবং মেঘ থেকে ভূমির দিকে নেমে আসে। এটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও ধ্বংসাত্মক প্রকৃতির, যা অল্প সময়ের মধ্যেই অনেক বড় এলাকা ধ্বংস করে দিতে পারে। টর্নেডোর আকৃতি সাধারণত ফানেল বা শঙ্খাকৃতির হয় এবং এটি ভূমির উপর দিয়ে চলার সময় ব্যাপকভাবে ধূলিকণা, ধ্বংসাবশেষ ও অন্যান্য বস্তু উপরের দিকে টেনে তোলে। সাধারণত টর্নেডো কয়েক মিনিট থেকে শুরু করে এক ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং ঘন্টায় প্রায় ১১০ কিলোমিটার থেকে শুরু করে ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিতে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।
Meteorologist-দের মতে, টর্নেডো তৈরি হয় অনেকটা কালবৈশাখীর নিয়ম মেনে। সমুদ্র থেকে গরম জলীয় বাষ্প ভরা বাতাস সমতলে ঢুকে ক্রমশ উপরের দিকে উঠতে থাকে। এক সময়ে তা ঠান্ডা বাতাসের সংস্পর্শে চলে আসে। আর তার থেকেই তৈরি হয় উল্লম্ব মেঘ। উল্লম্ব মেঘ উচ্চতায় বাড়তে থাকে এবং এক সময় সেই মেঘ ভেঙে গিয়ে তৈরি হয় কালবৈশাখী। টর্নেডো তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়াটাও প্রায় একই রকম। তবে এ ক্ষেত্রে বায়ুপ্রবাহের জটিলতায় দীর্ঘকায় উল্লম্ব মেঘের ভিতরে ঘূর্ণি তৈরি হয়। সেই ঘূর্ণি একটি সরু ফানেলের আকারে (মনে হয় যেন হাতির শুঁড়) নেমে আসে মাটির কাছাকাছি। আর মাটি ছুঁয়েই সেই দৈত্যাকৃতি ঘূর্ণায়মান ফানেল তার কেন্দ্রের দিকে সব কিছু টেনে নেয়। তার ফলে ওই ঘূর্ণায়মান ফানেল যে এলাকা দিয়ে যায় সেখানেই ধ্বংসলীলার স্বাক্ষর রেখে যায়।
পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে টর্নেডো দেখা গেলেও, যুক্তরাষ্ট্রের টর্নেডো অ্যালি (Tornado Alley) নামক অঞ্চলটি টর্নেডোর জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। টর্নেডোর উৎপত্তি একটি জটিল প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, যা প্রধানত বজ্রঝড় (Thunderstorm) এবং তার মধ্যে বিদ্যমান বিভিন্ন ধরনের বাতাসের চাপ, তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার পার্থক্যের কারণে ঘটে। সাধারণত একটি সুপারসেল নামক বিশেষ ধরনের বজ্রঝড়ের মাধ্যমে টর্নেডো সৃষ্টি হয়।অনেক সময় দেখা যায় একটিমাত্র টর্নেডো থেকে অনেকগুলো টর্নেডো এবং মেসোসাইক্লোনের সৃষ্টি হয়। যখন একটি পৃথক মেসোসাইক্লোন থেকে একটি পৃথক টর্নেডোর সৃষ্টি হয়, এই প্রক্রিয়াকে বলে সাইক্লিক টর্নেডোজেনেসিস। একই টর্নেডো থেকে সৃষ্ট টর্নেডোসমূহকে বলা হয় টর্নেডো পরিবার। কখনো কখনো পৃথক একটি মেসোসাইক্লোন থেকে অনেক টর্নেডো একসাথে সৃষ্টি হয় এবং ক্ষেত্রবিশেষে দেখা যায় পুরনো টর্নেডো নতুন সৃষ্ট হওয়া টর্নেডোর সাথে একীভূত হয়ে যায়। এর কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে-
১. উষ্ণ ও শীতল বায়ুর সংঘর্ষ: ভূমি থেকে উষ্ণ, আর্দ্র বায়ু উপরে উঠতে থাকে, এবং উপরে থাকা শীতল, শুষ্ক বায়ুর সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এই সংঘর্ষ বজ্রঝড় সৃষ্টির জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে।
২. বায়ুস্তরের ঘূর্ণন: যখন বিভিন্ন উচ্চতায় বাতাসের গতি ও দিক ভিন্ন হয়, তখন একটি অনুভূমিক ঘূর্ণন সৃষ্ট হয়।
৩. উল্লম্ব টান ও ঘূর্ণন: শক্তিশালী উর্ধ্বমুখী বাতাস এই অনুভূমিক ঘূর্ণনকে উল্লম্বভাবে উপরের দিকে টেনে নিয়ে যায় এবং এটি ঘূর্ণায়মান স্তম্ভে রূপান্তরিত হয়।
৪. ঘূর্ণির তীব্রতা বৃদ্ধি: ঘূর্ণায়মান স্তম্ভটি বজ্রঝড়ের ভেতরে শক্তি সঞ্চয় করে এবং যখন এটি ভূমির সংস্পর্শে আসে, তখন এটি টর্নেডোতে রূপ নেয়।
৫. ধ্বংসাত্মক পর্যায়: একবার ভূমির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করলে, এটি এক বিশাল ধ্বংসাত্মক শক্তিতে রূপ নেয় যা ঘরবাড়ি, গাছপালা, যানবাহন সবকিছুকে উড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়।
টর্নেডো সাধারণত তাদের বেগ, তীব্রতা এবং ধ্বংসের মাত্রা অনুসারে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। এর জন্য প্রায়ই “ফুজিটা স্কেল” (Fujita Scale) বা “এনহান্সড ফুজিটা স্কেল” (Enhanced Fujita Scale) ব্যবহার করা হয়।
১. EF0: বাতাসের গতি ১০৫-১৩৭ কিমি/ঘণ্টা। ক্ষয়ক্ষতি সামান্য।
২. EF1: বাতাসের গতি ১৩৮-১৭৭ কিমি/ঘণ্টা। ছাদ উড়ে যেতে পারে।
৩. EF2: বাতাসের গতি ১৭৮-২১৭ কিমি/ঘণ্টা। গাড়ি উল্টে যেতে পারে।
৪. EF3: বাতাসের গতি ২১৮-২৬৬ কিমি/ঘণ্টা। ঘরবাড়ি ধ্বংস হতে পারে।
৫. EF4: বাতাসের গতি ২৬৭-৩২২ কিমি/ঘণ্টা। বড় ভবন ভেঙে পড়ে।
৬. EF5: বাতাসের গতি ৩২৩ কিমি/ঘণ্টার ওপরে। সম্পূর্ণ ধ্বংস সাধন।
অধিকাংশ টর্নেডো দেখতে একটি সরু ফানেলের মত হয়, ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি বর্জ্যের ক্ষুদ্র মেঘ দ্বারা কয়েকশ মিটার বিস্তৃত থাকে। তবে, টর্নেডো বিভিন্ন আকার এবং আকৃতির হতে পারে। ক্ষুদ্র, তুলনামূলকভাবে দুর্বল ভূমিস্তম্ভগুলিকে শুধুমাত্র একটি ছোট ধুলার ঘূর্নি হিসেবে ভূপৃষ্ঠে দেখা যায়। যদিও ঘনীভূত ফানেল অনেক সময় ভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত নাও থাকতে পারে, তবু যদি বাতাসের গতিবেগ ঘন্টায় ৪০ মাইলের (বা ঘন্টায় ৬৪ কিমি) বেশী হয়, তবে এ ঘূর্ণন টর্নেডো হিসেবে বিবেচিত হয়। বৃহৎ এক-ঘূর্ণি টর্নেডোগুলি দেখতে অনেকটা ভূপৃষ্ঠে পোঁতা কীলকের (Wedge)মত দেখায়। এজন্য এগুলোকে Wedge বা কীলক টর্নেডো বলে। এই কীলকাকৃতির টর্নেডোগুলো এতই বিস্তৃত হয় যে শুধু ঘন কালো মেঘের স্তুপই দেখা যায়, বিস্তারে ভূপৃষ্ঠ থেকে মেঘের দূরত্বের চাইতেও বেশী বিস্তৃত হয়। এজন্য অভিজ্ঞ আবহাওয়াবিদরাও অনেক সময় দূর থেকে দেখে নীচু আকাশে ঝুলন্ত মেঘ এবং কীলকাকার টর্নেডোর মধ্যে পার্থক্য করতে হিমশিম খেয়ে যান নিঃশেষিত পর্যায়ে টর্নেডো দেখতে সরু নল বা দড়ির মত লাগে, এবং অনেক সময় বেঁকে গিয়ে নানা জটিল আকৃতি নেয়। একে বলা হয় রোপিং আউট যেখানে টর্নেডোগুলো রজ্জু টর্নেডোতে পরিণত হয়। বহু-ঘূর্ণি টর্নেডোগুলো দেখতে একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রকে আবর্তিত অসংখ্য ঘূর্ণির মত লাগে, অথবা ঘনীভবন, ধুলাবালি এবং বর্জ্যের কারণে সম্পূর্ণ ঢাকা পড়ে একটি ফানেলের রূপ নেয়। এসব আকৃতি ছাড়াও বৃষ্টি এবং ধূলার কারণে অনেক সময় টর্নেডোর আকৃতি বোঝা যায় না। এই টর্নেডোগুলো খুবই বিপদজনক, কারণ অভিজ্ঞ আবহাওয়াবিদরাও অনেক সময় এদের সনাক্ত করতে পারেন না।
বিশ্বজুড়ে অনেক দেশে টর্নেডো দেখা গেলেও কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চল এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর গড়ে ১২০০টিরও বেশি টর্নেডো হয়। টেক্সাস, ওকলাহোমা, কানসাস ইত্যাদি রাজ্য টর্নেডো অ্যালির অংশ। পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী টর্নেডোগুলোর মধ্যে কয়েকটি বাংলাদেশে ঘটেছে, যেমন ১৯৮৯ সালের দৌলতপুর-সাটুরিয়া টর্নেডো। ভারতের গঙ্গা বদ্বীপ অঞ্চলে টর্নেডো দেখা যায়, তবে সংখ্যায় কম। চীন ও জাপানে কখনও কখনও টর্নেডো দেখা যায়, বিশেষত টাইফুন চলাকালীন।
বাংলাদেশে টর্নেডো সাধারণত মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে ঘটে, যখন গ্রীষ্মের শুরুতে উষ্ণ ও ঠান্ডা বায়ুর সংমিশ্রণ ঘটে। এখানে টর্নেডো তুলনামূলকভাবে কম সময় স্থায়ী হলেও এর ধ্বংসযজ্ঞ মারাত্মক। ১৯৮৯ সালের দৌলতপুর-সাটুরিয়া টর্নেডোতে প্রায় ১৩০০ জনের বেশি মানুষ মারা যান এবং হাজার হাজার মানুষ আহত ও গৃহহীন হন। বাংলাদেশে টর্নেডোর কিছু বৈশিষ্ট্য-
১. খুব দ্রুত সৃষ্টি হয়
২. ক্ষুদ্র এলাকা জুড়ে প্রচণ্ড ধ্বংস করে
৩. সাধারণত সন্ধ্যা বা বিকেলে ঘটে
৪. বজ্রঝড় ও কালবৈশাখীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট
যদিও টর্নেডো একেবারে প্রতিরোধ করা যায় না, তবুও কিছু প্রতিকার ও প্রস্তুতি নিয়ে এর ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব:
১. অগ্রিম সতর্কবার্তা: রাডার, স্যাটেলাইট ও আবহাওয়া পূর্বাভাস প্রযুক্তির মাধ্যমে অগ্রিম সতর্কতা প্রদান।
২. দুর্যোগ প্রস্তুতি শিক্ষা: জনগণকে সচেতন করা, স্কুল-কলেজে মহড়া চালানো।
৩. ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র: টর্নেডোপ্রবণ এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ।
৪. বিপদকালীন পরিকল্পনা: পরিবারভিত্তিক জরুরি পরিকল্পনা তৈরি করা, যেমন কোথায় আশ্রয় নেয়া হবে, কী কী জিনিস সঙ্গে রাখতে হবে ইত্যাদি।
৫. গবেষণা ও উন্নয়ন: টর্নেডোর পূর্বাভাস পদ্ধতি আরও উন্নত করতে গবেষণা বাড়ানো।
টর্নেডো হলো প্রকৃতির এক ভয়ংকর রূপ, যার বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিরক্ষা সীমিত হলেও সচেতনতা ও বিজ্ঞানভিত্তিক প্রস্তুতির মাধ্যমে এর প্রভাব অনেকাংশে কমানো সম্ভব। উন্নত প্রযুক্তি, পরিকল্পিত নগরায়ন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আমাদের এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হতে সাহায্য করতে পারে। বিশেষত বাংলাদেশে টর্নেডোর মতো দুর্যোগের জন্য স্থানীয় পর্যায়ে প্রস্তুতি ও অবকাঠামো গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। তবে টর্নেডোর সময় বাড়িতে মাটির নীচে তৈরি ঘরে আশ্রয় নেওয়াই সব চেয়ে নিরাপদ। গাড়িতে থাকা একেবারেই উচিত নয়। কেননা মানুষ, প্রকৃতি ও প্রযুক্তির সমন্বয়ই হতে পারে টর্নেডোর ধ্বংসযজ্ঞ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়।
Posted ১:৪৯ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ০৯ মে ২০২৫
dainiksarod | Pijush Kanti Acharya