কসবা প্রতিনিধি
প্রিন্ট
সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯
সর্বশেষ আপডেট : 8:04 pm
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার কসবায় ধর্ষণের শিকার ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এক মাদরাসার ছাত্রী এখন তিন মাসের অন্তসত্ত্বা। ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে সোমবার দুপুরে মাদরাসা শিক্ষক আবুল বাশার (৪০) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের পর ওই শিক্ষক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক আবুল বাশার কসবা উপজেলার কাইমপুর ইউনিয়নের শ্রীপুর ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসার গণিত বিষয়ের শিক্ষক। তিনি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সিদলাই গ্রামের মোসলেহ উদ্দিনের পুত্র।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্র জানা গেছে, শিক্ষক আবুল বাশার পাঁচ বছর আগে শ্রীপুর ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসায় গণিত বিষয়ের শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন। তিনি মাদরাসার পাশেই একটি বাড়িতে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। ওই মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী শিক্ষক আবুল বাশারের কাছে গণিত বিষয়ে প্রাইভেট পড়তেন। তিন মাস আগে ওই শিক্ষকের বাসায় কেউ ছিল না। ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন শিক্ষক আবুল বাসার। বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি দিয়ছিলেন ওই শিক্ষক। সহজ সরল প্রকৃতির ছাত্রীটি ভয়ে কাউকে বিষয়টি জানায়নি।
গত রোববার ওই শিক্ষার্থীর পেটে প্রচন্ড ব্যাথা হলে পরিবারর সদস্যরা তাকে কসবা উপজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। এ সময় চিকিৎসক তার পেটের আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে বলেন। ওই ছাত্রীর আল্ট্রাসনোগ্রাম করে দেখতে পায় সে তিন মাসের অন্তঃসত্বা। বিষয়টি জানাজানি হলে ওই ছাত্রী জানায় তাদের গণিত বিষয়ের স্যার আবুল বাশার তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করছিলেন। ভয়ভীতি দেখানোর কারণে ওই ছাত্রী বিষয়টি কাউকে জানায়নি।
কসবা উপজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) আসাদুজ্জামান বলেন, মেয়েটির পেটে ব্যাথা নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসেন। আল্ট্রাসনোগ্রাম করে দেখা গেছে তিন মাসের অন্তঃসত্বা।
কসবা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক হাসান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষক ধর্ষনের কথা স্বীকার করেছে পুলিশের কাছে। ওই শিক্ষার্থী তিন মাসর অন্তঃসত্ত্বা। এ অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক আবুল বাশারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় ধর্ষণ মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মঙ্গলবার সকালে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিচারিক হাকিমের আদালতে পাঠানো হবে।
-রাফি/-
Posted ১১:৩১ পিএম | সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯
The Daily Sarod | Pijush Kanti Acharya