শিরোনাম
গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপককে ছুরিকাঘাত করে দুই লাখ টাকা ছিনতাই যুক্তরাষ্ট্রে ইউনূসকে হেনস্তাকারীদের ছাড় দেয়া হবে না: জাহেদ উর রহমান ট্রেনের ভুয়া টিকেট বানিয়ে বিক্রি, কালোবাজারিকে দণ্ড রিয়াদে বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ নিহত ১২ গণভোটের রায়কে উপেক্ষা করে বিএনপি দেশের মানুষের সাথে গাদ্দারি করেছে: মামুনুল হক শঙ্খ-উলুধ্বনিতে মুখরিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মহালয়ায় শুরু শারদোৎসব আন্তঃপ্রজন্ম সহযোগিতায় প্রবীণদের আয়মূলক কাজে সম্পৃক্তির আহ্বান বিজয়নগরে পুলিশের পিকআপ ভ্যান খাদে পড়ে পুলিশ ও আসামিসহ আহত ৫ সৌদি আরবের ৩০ কেজির পার্সেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৯ কেজি! তিতাস ট্রেনের বুকিং ক্লার্ককে মারধরের অভিযোগ

বাঞ্ছারামপুরে হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন

স্টাফ রিপোর্টার   প্রিন্ট
বুধবার, ১০ জুলাই ২০১৯   সর্বশেষ আপডেট : 4:05 pm

বাঞ্ছারামপুরে হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন

মাদক ব্যবসা ও পরকীয়া প্রেমের ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামের রিপন মিয়া হত্যা মামলায় তার তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছেন আদালত। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ শফিউল আজম এ রায় ঘোষণা করেন। এ মামলার রিপন মিয়ার স্ত্রী আমেনা বেগমকে (৩৫) বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

দন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভেলানগর গ্রামের সিদ্দিক মিয়ার ছেলে শিপন মিয়া (৪৫), বাতেন মিয়ার ছেলে মো. কবির (৩৪) ও কাজী মোস্তফার ছেলে মো. হাবিব (২৩)। রায় ঘোষণার সময় সকল আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামের রিপন মিয়ার স্ত্রীর সঙ্গে পার্শ্ববতী ভেলানগর গ্রামের সিদ্দিক মিয়ার ছেলে শিপন মিয়ার মাদক ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। পাশাপাশি রিপনের স্ত্রী আমেনা বেগমের সাথে শিপনের পরকীয় প্রেমেরও সম্পর্ক ছিল। এসবের জেরে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী গত ২০১৬ সালের ২ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারির কোনো এক সময় আসামিরা রিপনকে হত্যা করে তার শ্বশুর বাড়ি ভেলানগর গ্রামের একটি জমির মাটিতে পুতে রাখে। পরবর্তীতে ১০ জানুয়ারি দুপুরে মাটি খুঁড়ে রিপনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ওইদিন নিহত রিপনের ভাই বোরো মিয়া বাদী হয়ে আমেনা বেগম ও শিপন মিয়ার বিরুদ্ধে বাঞ্ছারামপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি তদন্ত করে বাঞ্ছরামপুর থানা পুলিশ আদালতে চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযুক্তদের মধ্যে আমেনা বেগম জামিনে কারামুক্ত ছিলেন। বাকিরা সবাই কারাগারে রয়েছেন।
মামলার রায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি ও জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পি.পি) এস.এম ইউসুফ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

আসামি পক্ষের আইনজীবি মোফাক খায়রুল ইসলাম  বলেন, আমার এক নম্বর আসামি আমেনা বেগমকে খালাসা দেয়া আমি সন্তুষ্ট। তবে দ-প্রাপ্ত বাকি আসামিদের ব্যাপারে আমারে উপরের কোর্টে আপিল করব।

Facebook Comments Box

Posted ৪:০৫ পিএম | বুধবার, ১০ জুলাই ২০১৯

The Daily Sarod |