স্টাফ রিপোর্টার
প্রিন্ট
বুধবার, ১০ জুলাই ২০১৯
সর্বশেষ আপডেট : 9:08 pm
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার চাঞ্চল্যকর কামরুন নাহার তুর্না হত্যা মামলায় একমাত্র আসামী ঘাতক স্বামী আরিফুল হক রনিকে (৩০) মৃত্যুদন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১০ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ শফিউল আজম এ রায় ঘোষণা করেন। দন্ডপ্রাপ্ত রনি আশুগঞ্জ উপজেলার চরচারতলা গ্রামের আমিরুল হকের ছেলে। সে জামিনে এসে পলাতক রয়েছে।
আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার চরচারতলা গ্রামের নিহত কামরুন নাহার তূর্ণার সাথে একই এলাকার তার চাচাত ভাই আরিফুল হক রনির সাথে ২০১২ সালে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। সাংসারিক জীবনে তাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তুর্নার কোন ভাই বোন না থাকায় বাবার সকল সম্পত্তির মালিক হন তিনি। এই সম্পত্তি তার স্বামী রনির নামে লিখে দেওয়ার জন্য পারিবারিক কলহ লেগে ছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের ২৪ এপ্রিল সকাল থেকে নিখোঁজ ছিল তুর্না। বিকালে স্বামীর বাড়ির ছাদের একটি পরিত্যাক্ত পানির ট্যাংক থেকে তুর্নার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় নিহতের হাত-পা বাধাঁ ও মুখে পলিথিন মোড়ানে ছিল। হত্যার সময় তুর্না তিন মাসের অন্তঃস্বত্ত্বা ছিলেন। এই ঘটনায় ২৫ এপ্রিল নিহতের পিতা মফিজুল হক বাদি হয়ে তার মেয়ের স্বামী আরিফুল হক রনিকে প্রধান আসামী করে আরো অজ্ঞাত দুই জনকে আসামী করে আশুগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রায় এক মাস পর ২০১৮ সালের মে মাসের ২১ তারিখ এই মামলায় তুর্ণার ঘাতক স্বামী রনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে তাকে আদালত থেকে রিমান্ডে আনা হলে তুর্নাকে হত্যার সকল বিষয় সে স্বীকার করে। রনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। এরপর তিনি জামিনে কারামুক্ত হয়ে বিদেশ চলে গেছেন বলে জানা যায়।
Posted ৩:৫৫ পিএম | বুধবার, ১০ জুলাই ২০১৯
dainiksarod | Pijush Kanti Acharya