ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রতিনিধি
প্রিন্ট
মঙ্গলবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট : ১০:১২ অপরাহ্ণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মেঘনা নদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে উপর হামলা করে ড্রেজার ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আশুগঞ্জ থানায় কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা বিএনপির সভাপতির ভাইসহ ৭জনের নাম উল্লেখ্য করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে ইউএনওকে অপহরণ ও হত্যা চেষ্টার।

অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাফে মোহাম্মদ ছড়া জানান, মেঘনা নদীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জের ভৈরব অংশে পৃথক দুটি বালু মহাল ইজারা দেওয়া হয়েছে। আমি ও ভৈরবের ইউএনও তাদেরকে সীমানা ইতিমধ্যে বুঝিয়ে দিয়েছি। স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল আশুগঞ্জের চরসোনারামপুর এলাকায় জাতীয় গ্রিডের বৈদ্যুতিক টাওয়ারের কাছাকাছি ড্রেজারে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে রাতের আধারে। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কোন স্থাপনার এক কিলোমিটারের ভেতরে কেউ বালু উত্তোলন করতে পারবেন। সেই তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবার সকালে আমার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করলে সেখানে সত্যতা পাওয়া যায়।
ভৈরবের ইজারাদার আশুগঞ্জের অংশে বৈদ্যুতিক টাওয়ারের কাছে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছিল। এসময় ইজারাদারের ৫টি ড্রেজার ও ৫ টি বাল্কহেড জব্দ করা হয়। পাশাপাশি দুজনকে একবছর করে সাজা প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত শেষে ফেরার পথে ইজারাদার ও ভৈরব উপজেলা বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলামের ভাই তারেকের নেতৃত্বে ৭/৮ জন স্পীডবোট দিয়ে এসে আমি যে ড্রেজারে ছিলাম সেটি সহ অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে ড্রেজারের সাথে লাগানো স্পীডবোট দিয়ে আশুগঞ্জে পৌছতে সক্ষম হই। তারা জব্দ করা একটি ড্রেজার ও দুটি ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এই ঘটনা আমরা আশুগঞ্জ থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
আশুগঞ্জ থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হেনা মোহাম্মদ মোস্তফা রেজা জানান, আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসের কর্মচারী মোহাম্মদ মমিন বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি এজহার জমা দেওয়া হয়েছে। মামলা রুজুর প্রকৃয়া চলছে।
Posted ৯:৩৭ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
dainiksarod | Pijush Kanti Acharya