নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : 11:51 pm
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্যাসের সংকট এবং চাপ কম থাকায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে কাঙ্খিত পর্যাপ্ত গ্যাস মিলছে না। ফলে গ্যাসের জন্য যানবাহনের দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে ফিলিং স্টেশনগুলোতে। অনেকে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করেও গ্যাস পাচ্ছেন না। এতে করে ভোগান্তি বাড়ছে যানবাহন চালকদের। পাশাপাশি আয় কমেছে চালকদের।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাঁচটি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ করে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড কর্তৃপক্ষ। সবকটি ফিলিং স্টেশনগুলোর জন্য প্রতিদিন বরাদ্দ রয়েছে ৫০ হাজার ঘনমিটার গ্যাস। যদিও গ্যাসের চাহিদা রয়েছে আরও বেশি।
মূলত ১২-১৫ পিএসআই চাপে গ্যাস প্রয়োজন হলেও ফিলিং স্টেশনগুলো ১-২ পিএসআই চাপে গ্যাস পাচ্ছে৷ এর ফলে কাঙ্খিত পরিমাণে গ্যাস নিতে পারছে না যানবাহনগুলো। এছাড়া চাপ কমে যাওয়ার কারণে দিনে কয়েকবার করে মেশিন বন্ধ রাখতে হচ্ছে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষকে। এতে করে গ্যাসের জন্য হাহাকার বাড়ছে। দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করেও গ্যাস না পেয়ে ভোগান্তি বাড়ছে যানবাহন চালকদের।

মো. ইয়াছিন নামে এক সিএনজি অটোরিকশা চালক জানান, বেলা পৌনে ১২টার দিকে গ্যাস নেয়ার জন্য সোপান ফিলিং স্টেশনে লাইনে দাঁড়ান তিনি। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে তিনি গ্যাস পান। চাপ কম থাকায় মাত্র ১৫৫ টাকার গ্যাস নিতে পেরেছেন বলে জানান তিনি।
আরেক সিএনজি অটোরিকশা চালক আক্কাস মিয়া জানান, রাতে এবং ভোরে গ্যাস পেলেও দিনের বেশিরভাগ সময় গ্যাসের চাপ থাকে না। ভোররাত থেকে গ্যাসের জন্য লাইন ধরতে হয়। দিনের অর্ধেক সময় চলে যায় গ্যাসের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে। যেটুক গ্যাস পাওয়া যায়- তাতে দুইটার বেশি ট্রিপ দেয়া যায়না। গত এক সপ্তাহ ধরে এভাবেই চলছে।

সরাইলের সোপান ফিলিং স্টেশনের প্রকৌশলী গোলাম রব্বানি জানান, ঠিকমতো গ্যাস দিতে না পারার কারণে যাবাহনের দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে। গ্যাসের চাপ নেই। ০-২ পিএসআই পর্যন্ত চাপে গ্যস পাওয়া যাচ্ছে। এতো কম চাপে কাঙ্খিত পরিমাণ গ্যাস নিতে পারছে না যানবাহনগুলো।
যদিও বাখরাবদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. শফিকুল হক জানান, ফিলিং স্টেশনগুলোতে চাহিদা থাকলেও বেশি গ্যাস দেয়া যাচ্ছে না। তবে চাপজনিত কিছু সমস্যাও আছে। এটি সমাধানে কাজ চলমান আছে। তবে বর্তমান সংকটটি এলনজি সংকটের কারণে তৈরি হয়েছে।
Posted ১১:৫১ পিএম | বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
The Daily Sarod | Pijush Kanti Acharya