প্রিন্ট
রবিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : 10:21 pm
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মুহাম্মদ ইলিয়াস তার বিরুদ্ধে আনা জায়গা দখলের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে ইলিয়াস জানিয়েছেন তিনি আওয়ামী লীগ নেত্রী সাঈদা সুলতানা সুপ্রিয়ার হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে ওই নেত্রী মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন বলেও দাবি করেন।
রোববার ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে হওয়া সংবাদ সম্মেলনে মুহাম্মদ ইলিয়াস জানান, সাঈদা সুলতানার স্বজনদের কাছ থেকে ক্রয় সূত্রে তার ভাই মো. জাহাঙ্গীর আলম জায়গার মালিক। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে ওই জায়গাকে কেন্দ্র করে তিনিসহ ভাইয়ের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করিয়েছেন। ৭ আগস্ট সাঈদা সুলতানার বাড়ি দখল করে নেওয়ার বিষয়টিও মিথ্যা।
সাঈদা সুলতানার এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে মুহাম্মদ ইলিয়াস আরো বলেন, ‘মেয়র ও প্রশাসক থাকাকালে অনেককেই অনেক প্রত্যায়ণপত্র দিয়েছি। কাউকে পাকিস্থানে বসবাসকারি হিসেবে প্রত্যয়ন দেওয়ার বিষয়টি আমার মনে পড়ছে না। কাগজ দেখলে বুঝতে পারবো আমার স্বাক্ষর কি-না। তবে সাঈদা সুলতানার ওই স্বজনরা যে বাংলাদেশি নাগরিক ও কুমিল্লার বাসিন্দা এর প্রমাণপত্র আছে।’
এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে করা এক সংবাদ সম্মেলনে কসবা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদা সুলতানা নামে ওই নারী জানান, পাকিস্থানীয় স্বজনদের দেওয়া পাওয়ার অব অ্যাটর্নিকে (আমমোক্তারনামা) পুঁজি করে কয়েককোটি টাকার সম্পত্তি দখলে নিয়েছেন ইলিয়াস ও তার ভাই জাহাঙ্গীর। ওই স্বজনরা যে বাংলাদেশি নাগরিক নন সে মর্মে মুহাম্মদ ইলিয়াসই মেয়র হিসেবে প্রত্যায়ন দিয়েছিলেন। ভাই জাহাঙ্গীর জায়গাটির আমমোক্তারনামা নেওয়ার পর ইলিয়াস এখন ভিন্ন কথা বলছেন। তাদের অত্যাচারের শিকার হয়ে এখন এলাকাতেই থাকতে পারছেন না।
Posted ১০:২১ পিএম | রবিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৪
dainiksarod | Pijush Kanti Acharya