স্টাফ রিপোর্টার
প্রিন্ট
সোমবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১
সর্বশেষ আপডেট : 8:07 pm
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় একটি গরুর দুগ্ধ খামারে গত দুইদিনে রহস্যজনক ভাবে ১৩টি গরু মারা গেছে। মারা যাওয়া গরুর মাঝে ১২টি গরুই ছিল গাভিন। গত শনিবার ও রোববার রাতে এই ঘটনা ঘটে। রহস্য উদঘাটন করতে তদন্তে নেমেছে থানার পুলিশ। এতে খামারের মালিক বাবুল মিয়ার প্রায় ২৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বাবুল মিয়া উপজেলার শেখেরকান্দির মৃত সিরাজুল ইসলাম সেলুর ছেলে। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
খামারের মালিক বাবুল মিয়া জানান, গত ৫ ফেব্রুয়ারী রাতে আমি একটি মাহফিলে গিয়েছিলাম। মাহফিল থেকে ফিরে সকালে খামারে গিয়ে দেখি একটি ঘরে ৩টি গরু মারা গেছে। এরপাশে আরেকটি ঘরে গিয়ে দেখি আরও একটি গরু মরে পড়ে রয়েছে। একে একে রোববার (৭ফেব্রুয়ারি) রাত পর্যন্ত আমার ১৩টি গরু মারা গেছে। এর মধ্যে ১২টি গরুই গাভিন ছিল। বাকী আরও ১৩টি গরুও অসুস্থ। এগুলো কিছুদিন পর বাচ্চা দিতো। এতে আমার প্রায় ২৫লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রবাস থেকে এসে ২০১৭ সালে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ৭৫টি গরু নিয়ে ব্যবসা শুরু করি। এর থেকে ১৫টি গরু কোরবানির সময় বিক্রি করেছিলাম। তখন প্রায় ৩৬টি গরু বিভিন্ন রোগে মারা যায়। আমার ব্যাংক থেকে ঋণ ১কোটি ৪লক্ষ টাকা মঞ্জুর হয়। এরমধ্যে ১কোট ১২লক্ষ টাকা ঋণ উত্তোলন করেছি।
তিনি আরও বলেন, করোনার সময় গরু গুলোকে ঠিকভাবে খাওয়াতে পারেনি। গোখাদ্যের দোকানে আমার কাছে ৫ লক্ষ টাকা এখনো পায়। গরু গুলো কিভাবে মারা যাচ্ছে তা আমি বুঝে উঠতে পারছিনা।
এবিষয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু আহমেদ বলেন, এই ঘটনার খবর পেয়ে খামারে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। খামারী বাকি গরু গুলোও অসুস্থ। কিভাবে গরু গুলো মারা যাচ্ছে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। ভেটেনারী চিকিৎসক দিয়ে মৃত গরু গুলোর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ফরেনসিকে এর ফলাফল পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
Posted ৮:০৭ পিএম | সোমবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১
The Daily Sarod | Pijush Kanti Acharya