https://www.jac-recruitment.sg/?source=google.com
শিরোনাম
আড়াই বছর ধরে শিক্ষকের স্বামীর ‘নগদে’ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা! নিশাত হত্যা মামলায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ফুটবল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের সূচি প্রকাশ ইরানে তীব্র মার্কিন হামলা, বিভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরণ সংবিধানে ফিরলো তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা কসবায় ব্যাংক কর্মকর্তা হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন নিবন্ধিত নিউজ পোর্টালগুলোতে সরকারি বিজ্ঞাপন চালুর দাবি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাছের ড্রামে করে পাচার হচ্ছিল অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় শাড়ি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শেষ: ডোনাল্ড ট্রাম্প আখাউড়া স্থলবন্দরে আশানুরূপ বাড়েনি রপ্তানি আয়, কমেছে রাজস্বও

২০১৯ সালে বাংলাদেশ থেকে হজে যাবে ১ লাখ ২৭ হাজার

ডেস্ক রিপোর্ট   প্রিন্ট
শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮   সর্বশেষ আপডেট : 2:35 pm

২০১৯ সালে বাংলাদেশ থেকে হজে যাবে ১ লাখ ২৭ হাজার

২০১৯ সালে পবিত্র হজ পালনে বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ হজযাত্রী সৌদি আরব যাবেন। এর মধ্যে সরকারি কোটায় ৭ হাজার ১৯৮ ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২০ হাজার জনের কোটা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বিকেলে সৌদি আরবের জেদ্দায় হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ-সৌদি আরবের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক হজ চুক্তি সই হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে ধর্ম সচিব মো. আনিছুর রহমান ও সৌদি সরকারের পক্ষে হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আবদুল ফাত্তাহ বিন সোলায়মান মাসাত চুক্তিতে সই করেন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন যুগান্তরকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠকে ধর্ম সচিবের নেতৃত্বে অংশগ্রহণকারী একজন প্রতিনিধি জানান, গত বছরের মতো এবারও ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের কোটা বরাদ্দ রয়েছে। চুক্তির বাইরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আসন্ন হজ কোটা বৃদ্ধি করে ১ লাখ ৪৬ হাজার করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে হজ কোটা বৃদ্ধির বিষয়টি সৌদি সরকারের আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভায় সিদ্ধান্ত হয় বিধায় বাংলাদেশের অনুরোধের বিষয়টি ওই সভায় উত্থাপন করা হবে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

২০১৯ সালের হজে মিনায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিজস্ব উদ্যোগে ক্লিনিক খোলার জন্য জমি বরাদ্দের অনুমতি প্রদানের অনুরোধ জানানো হয়। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, বাংলাদেশ থেকে সোয়া লাখের বেশি হজযাত্রী পবিত্র হজ পালন করেন। এ সময় নিজস্ব উদ্যোগে ক্লিনিক স্থাপিত হলে ভাষাগত সমস্যায় পড়তে হবে না। এ ছাড়া হজ প্যাকেজে ফ্লাইট সিডিউলের সময়সীমা ৬০ দিনের পরিবর্তে ৪৫ দিন করারও বিষয়টি বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের প্রস্তাবিত অনুরোধের বিষয়গুলো বিবেচনা করা হবে বলে জানান আবদুল ফাত্তাহ বিন সোলায়মান।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন জেদ্দায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ, কাউন্সিলর (হজ) মাকসুদুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, মো. মিজানুর রহমান, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (হজ) এবিএম আমিন উল্লাহ নুরী, হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) মহাসচিব এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএম মোসাদ্দেক আহমেদ, হজ অফিস ঢাকার পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিস্টেমস এনালিস্ট মো. সাইফুল ইসলাম, বিজনেস অটোমেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহিদুল হাসান প্রমুখ।

সুত্রঃ যুগান্তর

Facebook Comments Box

Posted ২:৩৫ পিএম | শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮

dainiksarod |