https://www.jac-recruitment.sg/?source=google.com
শিরোনাম
আড়াই বছর ধরে শিক্ষকের স্বামীর ‘নগদে’ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা! নিশাত হত্যা মামলায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ফুটবল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের সূচি প্রকাশ ইরানে তীব্র মার্কিন হামলা, বিভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরণ সংবিধানে ফিরলো তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা কসবায় ব্যাংক কর্মকর্তা হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন নিবন্ধিত নিউজ পোর্টালগুলোতে সরকারি বিজ্ঞাপন চালুর দাবি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাছের ড্রামে করে পাচার হচ্ছিল অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় শাড়ি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শেষ: ডোনাল্ড ট্রাম্প আখাউড়া স্থলবন্দরে আশানুরূপ বাড়েনি রপ্তানি আয়, কমেছে রাজস্বও

শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সরাইল মুক্ত দিবস

স্টাফ রিপোর্টার   প্রিন্ট
শুক্রবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৮   সর্বশেষ আপডেট : 10:01 pm

শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সরাইল মুক্ত দিবস

শনিবার ৮ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সরাইল পাক হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বিনাযুদ্ধে হানাদারমুক্ত হয়  ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর ও সরাইল উপজেলা। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলাকে হানাদারমুক্ত করার পর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি অংশ দক্ষিণ দিক থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। একই সঙ্গে মিত্রবাহিনীর ৫৭তম মাউন্টের ডিভিশন আখাউড়া- ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেললাইন ও উজানিসার সড়ক দিয়ে শহরের দিকে অগ্রসর হতে থাকে।শহরের চারপাশে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর শক্ত অবস্থানে থাকায় হানাদার বাহিনী পিছু হটতে থাকে।
তবে পালিয়ে যাওয়ার সময় ৬ ডিসেম্বর রাজাকারদের সহায়তায় নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায় পাক হানাদার বাহিনী। তৎকালীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজের অধ্যাপক কেএম লুৎফুর রহমানসহ কারাগারে আটকে রাখা অর্ধশত বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ মানুষকে পৌর শহরের কুরুলিয়া খালের পাড়ে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে পাক হানাদার বাহিনী।
এছাড়া শহর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তারা কলেজের হোস্টেল, অন্নদা স্কুল বোর্ডিং, বাজার ও গুদামসহ বিভিন্ন স্থানে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরদিন ৭ ডিসেম্বর রাতের অন্ধকারে পাক বাহিনী ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর ছেড়ে আশুগঞ্জের দিকে পালাতে থাকে। ৮ ডিসেম্বর বিনাযুদ্ধেই মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনী সদ্যরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে প্রবেশ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মুক্ত ঘোষণা করে। ওই দিন সকাল ৯টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন মুক্তিযুদ্ধের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান জহুর আহমেদ চৌধুরী। দিবসটি পালনে বিভিন্ন সংগঠন কর্মসূচী গ্রহন করেছে।

Facebook Comments Box

Posted ১০:০১ পিএম | শুক্রবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৮

dainiksarod |