শনিবার (৭ জুন) বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন আহতরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালটির জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. শুভ্র রায়।
জানা যায়, পশু জবাই ও মাংস কাটায় অদক্ষতার কারণে ধারালো ছুরি, রামদা ও চাপাতির আঘাতে হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে আহতদের। তবে কয়েকজনের সেলাইয়ের প্রয়োজন হলেও বেশির ভাগের অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন ফুলবাড়িয়া এলাকার পাবেল মিয়া (২৭), ঘাটুরা গ্রামের সেলিম (৪৫), চাঁনপুরের আরস মিয়া (২৬), জহিরুল হক (৫০), মো. মিলন (২৩), আজিজুল (২১), শাকিব (২৮), জীবন (৪০), সুমন (২৬), রামরাইলের আলামিন (২৩), আক্কাস (৪৫), উবায়দুল (৩৩), ইউবিন (২২), রহমত আলী (৫৫), সুলতানপুর এলাকার আবু সুফিয়ান (১৫), সাদেকসহ (১৮) প্রমুখ।
এ বিষয়ে চিকিৎসক ডা. শুভ্র রায় বলেন, ‘ঈদের দিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অর্ধশতাধিক রোগী আমাদের এখানে এসেছেন। এদের প্রায় সবাই কোরবানির পশু কাটতে গিয়ে আহত হয়েছেন। সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।