শিরোনাম
গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপককে ছুরিকাঘাত করে দুই লাখ টাকা ছিনতাই যুক্তরাষ্ট্রে ইউনূসকে হেনস্তাকারীদের ছাড় দেয়া হবে না: জাহেদ উর রহমান ট্রেনের ভুয়া টিকেট বানিয়ে বিক্রি, কালোবাজারিকে দণ্ড রিয়াদে বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ নিহত ১২ গণভোটের রায়কে উপেক্ষা করে বিএনপি দেশের মানুষের সাথে গাদ্দারি করেছে: মামুনুল হক শঙ্খ-উলুধ্বনিতে মুখরিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মহালয়ায় শুরু শারদোৎসব আন্তঃপ্রজন্ম সহযোগিতায় প্রবীণদের আয়মূলক কাজে সম্পৃক্তির আহ্বান বিজয়নগরে পুলিশের পিকআপ ভ্যান খাদে পড়ে পুলিশ ও আসামিসহ আহত ৫ সৌদি আরবের ৩০ কেজির পার্সেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৯ কেজি! তিতাস ট্রেনের বুকিং ক্লার্ককে মারধরের অভিযোগ

ব্যবসায়ী বাহারকে হত্যার পর ফেলে দেওয়া হয় নদীতে, ৪জনের ফাঁসির আদেশ

স্টাফ রিপোর্টার   প্রিন্ট
সোমবার, ০৬ জানুয়ারি ২০২০   সর্বশেষ আপডেট : 6:16 pm

ব্যবসায়ী বাহারকে হত্যার পর ফেলে দেওয়া হয় নদীতে, ৪জনের ফাঁসির আদেশ

ব্যবসায়ি আব্দুল হান্নান বাহার (৪৫) কে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় চার জনের মৃত্যু দন্ডের রায় দিয়েছে আদালত।

সোমবার দুপুরের দিকে ব্রাহ্মবাড়িয়ার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ সফিউল আজম এ রায় প্রদান করেন। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত চারজনের মধ্যে তিন জন আসামী পলাতক রয়েছে। একজন আসামি রায় প্রদান কালে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. নুরু মিয়া, মো. জিয়াউল হক, লোকমান খান ও মো. কাদির হোসেন। এদের মধ্যে জিয়াউল হক রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি উপজেলার অম্বরনগর গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে আব্দুল হান্নান বাহার ঢাকার চকবাজারে কসমেটিক ও ইমিটেশনের ব্যবসা করতেন। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা বাহারের দোকান থেকে মালামাল কিনে নিয়ে যেতেন। প্রতিবছর ঈদ শেষে পাইকারদের কাছ থেকে বকেয়া টাকা আদায় করে ঢাকায় ফেরত যেতেন তিনি। গত ২০১৪ সালের ৪ আগস্ট দুপুর তিনটার দিকে বাহার কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা এলাকায় পাইকার লোকমান খানের কাছে বকেয়া আদায় করতে যান। বাহারকে তার পাওনা টাকা পরিশোধ করবেন বলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের বাঙ্গরা বাজারে ডেকে নেন লোকমান।

গ্রেফতারের পর দণ্ডপ্রাপ্তরা জানিয়েছে, বাহার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের বাঙ্গরা বাজারে যাওয়ার পর লোকমান তার শ্বশুরবাড়িতে বেড়ানোর নাম করে বাহারকে ইঞ্জিন নৌকায় তুলে নিয়ে যান। নৌকায় আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায়ের জন্য বাহারের আত্মীয়-স্বজনদের কাছে টাকা দাবি করে। আসামিরা ৪আগস্ট থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত বাহারের হাত-পা বেঁধে তাকে নির্যাতন করে। কিছু টাকা আদায়ের পর আরও টাকার জন্য বাহারকে হত্যার হুমকি দেয় আসামিরা। ৬ আগস্ট রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টায় আসামিরা বাহারকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উজানচর লঞ্চ ঘাটের বিপরীত দিকে তিতাস নদীতে ফেলে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে। এরপর ৮ আগস্ট বিকেল ৩টার দিকে নদী থেকে বাহারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

বাহার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৯ আগস্ট বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন তার ছোট ভাই বেলাল হোসেন। হত্যার ঘটনা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের বিরুদ্ধে ওই বছরের ১০নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

এ মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এস.এম ইউসুফ। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী জসিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমার কাছে মনে হয় রায়টি সঠিক হয়নি। আমরা উচ্চ আদালতে ন্যায় বিচার পেতে আপিল করব।

 

রাফি/-

Facebook Comments Box

Posted ৬:১৬ পিএম | সোমবার, ০৬ জানুয়ারি ২০২০

The Daily Sarod |