শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের নবনির্মিত একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন প্রায় ৩৩ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো ৬০ বিজিবি বাধ্যতামূলক অবসরে ‌’বিতর্কিত’ সংসদ নির্বাচনের ৩২ রিটার্নিং কর্মকর্তা টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হত্যায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ সেনা হেফাজতে শাহজালালে বিদেশি এয়ারলাইন্সের অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাপতিকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ বর্নাঢ্য আয়োজনে কবি জয়দুলের পাখপাখালির মিলনমেলা গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭-২৮ জুলাই ভর্তি মেলা কসবায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে আহত অন্তত ১২ সীমান্তে চারজনের অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করেছে বিজিবি

বাধ্যতামূলক অবসরে ‌’বিতর্কিত’ সংসদ নির্বাচনের ৩২ রিটার্নিং কর্মকর্তা

অনলাইন ডেস্ক   প্রিন্ট
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬   সর্বশেষ আপডেট : 11:25 am

বাধ্যতামূলক অবসরে ‌’বিতর্কিত’ সংসদ নির্বাচনের ৩২ রিটার্নিং কর্মকর্তা

২০১৮ সালের ‘বিতর্কিত’ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা তৎকালীন ৩২ জেলার জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। গতকাল সোমবার (২৭ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
বর্তমানে যুগ্ম সচিব পদে এসব কর্মকর্তারা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, চাকরিকাল ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে এবং যেহেতু সরকার জনস্বার্থে তাদেরকে সরকারি চাকরি হতে অবসর প্রদান করা প্রয়োজন মর্মে বিবেচনা করে; সেহেতু সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকারি চাকরি হতে অবসর প্রদান করা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী এসব কর্মকর্তা অবসরজনিত সব সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন।
বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো ৩২ জন কর্মকর্তা হলেন- নেত্রকোনার তৎকালীন জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম, কুমিল্লার মো. আবুল ফজল মীর, বান্দরবানের মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, নাটোরের মো. শাহরিয়ার, চাঁদপুরের মো. মাজেদুর রহমান খান, শরীয়তপুরের কাজী আবু তাহের, চাঁপাইনবাবগঞ্জের এ জেড এম নুরুল হক, ময়মনসিংহের মো. মিজানুর রহমান, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, লক্ষ্মীপুরের অঞ্জন চন্দ্র পাল, রাঙামাটির এ কে এম মামুনুর রশিদ এবং কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন।
তালিকায় আরও আছেন- কুষ্টিয়ার তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন, শেরপুরের আনার কলি মাহবুব, মানিকগঞ্জের এস এম ফেরদৌস, চুয়াডাঙ্গার গোপাল চন্দ্র দাশ, খাগড়াছড়ির মো. শহিদুল ইসলাম, ফেনীর মো. ওয়াহিদুজ্জামান, বরিশালের এস এম অজিয়র রহমান, ভোলার মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, পটুয়াখালীর মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, সুনামগঞ্জের মো. আব্দুল আহাদ, পাবনার মো. জসিম উদ্দিন, ঝিনাইদহের সরোজ কুমার নাথ, নীলফামারীর নাজিয়া শিরিন, রাজশাহীর এস এম আব্দুল কাদের, মাগুরার মো. আলী আকবর, হবিগঞ্জের মাহমুদুল কবীর মুরাদ, কিশোরগঞ্জের মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, নরসিংদীর সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, খুলনার মোহাম্মদ হেলাল হোসেন এবং কুড়িগ্রামের ডিসি মোছা. সুলতানা পারভীন।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়ম, যেমন- দিনের ভোট রাতে করা, ব্যালট জালিয়াতি, কিছু কিছু কেন্দ্রে ৯০ শতাংশের বেশি ভোট দেখানো, ব্যাপক আর্থিক লেনদেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রার্থীকে জেতানো ইত্যাদি নানান অভিযোগ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে।

Facebook Comments Box

Posted ১১:২৪ এএম | মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

The Daily Sarod |