শিরোনাম
মিরপুরে পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, পুলিশের গাড়িতে আগুন; বন্ধ তিন মেট্রো স্টেশন নবীনগরের দুই কলেজে পাস করেনি কেউ, ১ হাজার ১০৩ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য আশুগঞ্জে টিকটক ভিডিও নিয়ে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে আহত ২০ এইচএসসিতে পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ এইচএসসির ফল জানা যাবে অনলাইন ও এসএমএসে দেশে থামছে না ‘মব’ সহিংসতায় মৃত্যু পুলিশের চাকরিতে থেকেও আইনজীবী সমিতির সদস্য, সরাইলের ওসিকে শোকজ চারদিনের জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিকরা ফোনে ওসিদের নাগাল পাননা, স্ত্রীর হাতে থাকে সরকারী নাম্বার! চাষাবাদ বন্ধের অভিযোগে মানববন্ধন, অনিশ্চয়তায় হাজার বিঘা জমির ফসল

নবীনগরের দুই কলেজে পাস করেনি কেউ, ১ হাজার ১০৩ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য

অনলাইন ডেস্ক   প্রিন্ট
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬   সর্বশেষ আপডেট : 7:06 pm

নবীনগরের দুই কলেজে পাস করেনি কেউ, ১ হাজার ১০৩ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। প্রতিষ্ঠান দুটির মোট নয়জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। শূন্য পাসের তালিকায় থাকা উভয় প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরাই ছিল মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী।
প্রতিষ্ঠান দুটি হলো বীরগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও জিনদপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এর মধ্যে বীরগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে সাতজন এবং জিনদপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে দুজন পরীক্ষায় অংশ নেয়। উভয় প্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্য শতাংশ।
শুধু দুটি প্রতিষ্ঠানের ফলই নয়, সামগ্রিকভাবেও উপজেলার এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল হতাশাজনক। এবার নবীনগর উপজেলার ১ হাজার ৭৬১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৬৫৮ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ১ হাজার ১০৩ জন। সে হিসাবে পাসের হার ৩৬ দশমিক ১৪ শতাংশ। তবে এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ জন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলে নবীনগর সরকারি কলেজে ৪২৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৮৩ জন। পাসের হার ৪২ দশমিক ৮৬ শতাংশ। নবীনগর মহিলা ডিগ্রি কলেজে ১৭২ জনের মধ্যে ৫৪ জন (৩১ দশমিক ৪০ শতাংশ), সলিমগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে ৩০১ জনের মধ্যে ৭৩ জন (২৪ দশমিক ২৫ শতাংশ), সুর সম্রাট আলাউদ্দিন খাঁ ডিগ্রি কলেজে ১৬৬ জনের মধ্যে ৬৬ জন (৩৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ), আলীমউদ্দিন জোবেদা কলেজে ৮২ জনের মধ্যে ২১ জন (২৫ দশমিক ৬১ শতাংশ) এবং ব্যারিস্টার জাকির আহমেদ কলেজে ৩৭৭ জনের মধ্যে ১৪৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৩৯ দশমিক ২৬ শতাংশ।
এ ছাড়া শ্যামগ্রাম মোহিনী কিশোর স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১২৪ জনের মধ্যে ৩৯ জন (৩১ দশমিক ৪০ শতাংশ), বিটঘর দানবীর মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য কলেজে ১২১ জনের মধ্যে ৬৭ জন (৫৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ) এবং রাবেয়া মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে দুই পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজন পাস করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৫০ শতাংশ।
অন্যদিকে, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায়ও উপজেলার ফলাফল আশাব্যঞ্জক নয়। এ পরীক্ষায় ১৭৭ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৭৬ জন। পাসের হার ৪২ দশমিক ৯৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে চারজন।
তবে কারিগরি শিক্ষায় তুলনামূলক ভালো ফল করেছে শিক্ষার্থীরা। এইচএসসি (বিএম) পরীক্ষায় ৪১ জনের মধ্যে পাস করেছে ৩৬ জন। এ বিভাগে পাসের হার ৮৭ দশমিক ৮০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিনজন।
সামগ্রিক ফলাফলে নবীনগরে সাধারণ শিক্ষার তুলনায় কারিগরি শিক্ষায় পাসের হার অনেক বেশি হলেও দুটি কলেজের শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান ও পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

Facebook Comments Box

Posted ৭:০৬ পিএম | শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

The Daily Sarod |