মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে গ্রামবাসীর মানববন্ধন

আশিকুর রহমান চৌধুরী পনি   প্রিন্ট
বুধবার, ০৭ মে ২০২৫   সর্বশেষ আপডেট : 8:18 pm

মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে গ্রামবাসীর মানববন্ধন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগরে সাধারণ জনতার নামে মামলার করার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে গ্রামবাসী।
আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার চাপরতলা ইউনিয়নের চাপরতলা স্টিল ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় এ মানববন্ধন করেন স্থানীয় এলাকাবাসী । মামলাটিকে উদ্দেশ্য প্রানোদিত ও মিথ্যা বলে অভিহিত করেছেন মানববন্ধনের বক্তারা।

গত ২৬ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে চাপরতলা গ্রামের  স্বর্ন ব্যাবসায়ী কালিমোহন দেবনাথ সিএনজি অটোরিক্সা যোগে নাসিরনগর সদর থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে সন্ধ্যায় আনুমানিক ৭.৩০ মিনিটে  দুস্কৃতিকারীদের আক্রমনের শিকার হন এবং নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চিকিৎসা নেন।
গত ৫ মে (মঙ্গলবার) তিনি  নিজ গ্রাম চাপরতলার ০৬ জন কে আসামী করে নাসিরনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন । বিষয়টি ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় গ্রামে। আজ ৭ মে (বুধবার) ঘটনাস্থল চাপরতলা ষ্টিলব্রীজ সংলগ্নে চাপরতলা গ্রামের ২ শতাধিক নারী পুরুষ মিলে মানববন্ধন করেছে মামলাটি প্রত্যাহারের দাবীতে।

মানববন্ধনে অংশগ্রনকারী গ্রামবাসী জানায়, বাদী যাদের আসামী করেছে তারা এই ঘটনার সাথে জড়িত নয় তাদের কে কিছু কুচক্র মহলের প্ররোচনায় বাদী উদ্দেশ্য মূলক ও হয়রানি করার জন্য আসামি করেছে।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণ কারী নোমান মিয়া বলেন, ঘটনাস্থলে প্রায়ই চুরি-ডাকাতি হয়, একটি ডাকাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে গ্রামের  কিছু ভালো মানুষকে জড়িয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় সিএনজি ড্রাইভার বা আশেপাশের কোন লোককে স্বাক্ষী না রেখে তার ই পরিবারভুক্ত কিছু লোক ও গ্রামে অন্তকলহে বিবাদমান আরেকটি পক্ষের লোকদের স্বাক্ষী করে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।
স্থানীয় সাবেক মেম্বার বদরুল মিয়া বলেন, এই স্টিল ব্রীজে প্রায় ই চুরি, ডাকাতি হয় এ বিষয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও জানে, কালিমহন এর উপর আক্রমণ হয়েছে জানতে পেরেছি কিন্তু উনি যাদের আসামি করেছে তারা ভালো মানুষ, তিনি আক্রোশ হয়ে তাদের আসামী করেছে।

মামলার আসামী সাদ্দাম হোসেন বলেন, আমি একজন ফার্মেসী ব্যবসায়িক, আমি দীর্ঘদিন ধরে বাজারে ব্যবসা করি, বাদী কালি মহন কিছু দুষ্কৃতিকারী উস্কানিতে আমাকে আসামী করেছে। আমি এই মামলা প্রত্যাহার চাই।

মামলার বাদী কালি মহন দেবনাথের কাছে মামলার বিষয় জানার জন্য যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মামলায় যাদের নাম দিয়েছি তারা ই আমার আসামী। সিএনজির অপর একজন যাত্রী ও ড্রাইভারকে স্বাক্ষী না করার কারন জানতে চাইলে কালিমোহন বলেন, আমি তাদের চিনতে পারিনি ।

এ বিষয় নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ খাইরুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গ্রামবাসীর দাবির বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করবো আমরা সত্য বের করে সঠিক রিপোর্ট দিবো।

 

 

 

Facebook Comments Box

Posted ৮:১৮ পিএম | বুধবার, ০৭ মে ২০২৫

The Daily Sarod |