শিরোনাম
ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, বললেন আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু সব সার কারখানা চালু করে ২২ হাজার কোটি টাকার আমদানি ব্যায় সাশ্রয় করতে চায় সরকার নাসিরনগরে পুকুর থেকে নিখোঁজ গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার সরাইলে দুর্গাপূজায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, দেড় হাজার রোগীকে চিকিৎসা সেবা নজরুল-সুইটি কি নবদম্পতি ছিলেন, যা বলছে পরিবার সরাইলে গরুর ঘাস কাটা নিয়ে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫ মহা দশমি: বিদায়ের বেদনায় জাগুক অসাম্প্রদায়িক চেতনা সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপে বিজিবির বাড়তি নিরাপত্তা, তৎপর থাকবে প্রতিমা বিসর্জনেও সৌদিতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: খবর শুনে ফুফুর মৃত্যু, পরিবারে শোকের মাতম

ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, বললেন আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন

অনলাইন ডেস্ক   প্রিন্ট
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬   সর্বশেষ আপডেট : 9:28 am

ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, বললেন আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন

সরাইল থানায় গিয়ে ওসির সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে থানায় ওসির কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়াকে ‘অনেক বড় আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বলেও মন্তব্য করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সদ্য সমাপ্ত শারদীয় দুর্গাপূজা চলাকালে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাকে নিরাপত্তা প্রদানের জন্য বলা হলেও ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া নিরাত্তা প্রদানের ব্যবস্থা করেননি। নিরাপত্তা না দেয়ার কারণ এবং ওসির বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে জানতে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে থানায় যান রুমিন ফারহানা। রাত ৯টা পর্যন্ত তিনি থানায় ওসির কক্ষে অবস্থান করেন।
এ সময় রুমিন ফারহানার সঙ্গে আসা এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন ওসি তার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন। ওসি ঘুষ নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং ওই ব্যক্তিকে রুমিন ফারহানা শিখিয়ে থানায় এনেছেন বলে উল্লেখ করেন৷ এ নিয়ে বাদানুবাদের এক পর্যায়ে রুমিন ফারহানা ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়াকে বলেন, ‘আপনি তো বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন। আপনার হিস্ট্রি তো আমি জানি স্যার। যাই হোক সেটা নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই’।
রুমিন ফারহানার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা শত শত লোক নিয়ে থানায় এসে অস্থিরতা তৈরি করেন। কিছু লোককে শিখিয়ে নিয়ে আসেন আজেবাজে কথা বলার জন্য। ওনি বলেছেন আমি ইটভাটা থেকে টাকা নেই। হাওরে সব ইটভাটা পানির নিচে। আর আমরা পূজায় পুরো থানা এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছিলাম। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে ওনার সঙ্গে পুলিশের একটি টিম রাখা ওইসময় কঠিন ছিল।
সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, ওনি (ওসি) বলেন যে ওনি নির্বাচিত এমপি, ওনার নিরাপত্তা মানুষ দেবে। এজন্যই মানুষ যা দেখছেন, ওরা আমার নিরাপত্তা দিচ্ছে। আমার তো নিরাপত্তা লাগবে। আর ওনার (ওসি) বিরুদ্ধে দুর্নীতি, মাটি কাটার থেকে পয়সা নেয়া, ইটের ভাটার পয়সা নেয়াসহ বিস্তর অভিযোগ। এলাকাটা দাঙ্গাপ্রবণ৷ দাঙ্গা হওয়ার পরে যখন সব শান্ত হয়, তখন ওনারা যান। এ বিষয়গুলোই আমি আজকে জানতে এসেছিলাম। ওনি যেই ব্যবহার আমার সঙ্গে করেছেন, সেটা একজন নির্বাচিত এমপির সাথে করা যায় না।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মু. জালাল উদ্দিন ফাহিমকে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

Facebook Comments Box

Posted ৯:২৮ এএম | শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

The Daily Sarod |