শিরোনাম
বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ আর নেই মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন বাংলাদেশের ছয় শান্তিরক্ষী যে রাষ্ট্র শিশু ধর্ষণ ঠেকাতে পারেনা, সেই রাষ্ট্র কেনো সিনেমা বন্ধে মদদ দেয়; প্রশ্ন রুমিন ফারহানার কওমি শিক্ষার্থীদের বাধায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রদর্শনী স্থগিত, সংস্কৃতিপ্রেমীদের ক্ষোভ সরাইলে মাদক কেনাবেচা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১৫ অবশেষে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের ফেলে যাওয়া চামড়া অপসারণ ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলো বিপন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’- এর প্রদর্শনী বন্ধে প্রচারণার পর অনুমতি বাতিল ক্রেতা না থাকায় সড়কের পাশে শত শত চামড়া ফেলে গেছেন ব্যবসায়ীরা আশুগঞ্জে কুরবানির পশুর চামড়া রাখা নিয়ে দুই গোষ্ঠির সংঘর্ষে আহত ১০

বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ আর নেই

অনলাইন ডেস্ক   প্রিন্ট
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬   সর্বশেষ আপডেট : ৮:২৯ অপরাহ্ণ

বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ আর নেই
সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ আর নেই। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আজ সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
৯বার জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তোফায়েল আহমেদ। সর্বশেষ তিনি ভোলা-১ আসনের এমপি ছিলেন। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে পরে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হন তোফায়েল আহমেদ। বর্তমানে তিনি দলের উপদেষ্টা পরিষদের একজন সদস্য।
পরিবারের সদস্যরা জানান, তোফায়েল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২৮ সেপ্টেম্বর গুরুতর অবস্থায় তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা জেলার সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে তোফায়েল আহমেদের জন্ম। বরিশালের ব্রজমোহন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্তিকা বিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন। ১৯৬৮-৬৯-এর উত্তাল সময়ে ডাকসুর ভিপি ছিলেন তোফায়েল। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে তিনি ছিলেন ছাত্রসমাজের নেতৃত্বের ভূমিকায়।
প্রবল গণ-আন্দোলনে পাকিস্তান সরকার ১৯৬৯ সালে শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সব আসামিকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। ওই বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক জনসভার আয়োজন করে। লাখো জনতার সেই সমাবেশে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। আর সেই উপাধি ঘোষণা করেন তোফায়েল আহমেদ।
১৯৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হন তোফায়েল। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তিনি ছিলেন মুজিব বাহিনীর অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের একজন।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় তোফায়েল আহমেদকে নিজের রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব দেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরলে বঙ্গবন্ধুর মেয়ে শেখ হাসিনা তার সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব দেন তোফায়েলকে। পরে ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আবারও তিনি বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
Facebook Comments Box

Posted ৮:২৯ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০১ জুন ২০২৬

dainiksarod |