স্টাফ রিপোর্টার
প্রিন্ট
শুক্রবার, ০৭ জুলাই ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট : 8:43 pm
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক ও তার সহযোগীর উপর হামলা করেছে সদ্য সাবেক কমিটির নেতারা। আজ শুক্রবার (০৭ জুলাই) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-বিজয়নগরের নবনির্মিত শেখ হাসিনা সড়কের শিমরাইলকান্দি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এসময় জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক শাহিনুর রহমান তিতাস নদীর পানিতে নেমে আত্মরক্ষা করেন। তবে সাথে থাকা বিশাল (২৮) নামের এক কর্মী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ৮জুন মধ্যরাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ছাত্রদল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জেলা ছাত্রদলের ৭ সদস্যের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করে। কমিটিতে আহবায়ক শাহীনুর রহমান ও সদস্য সচিব সমীর চক্রবর্তীকে করা হয়। বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি জেলা ছাত্রদলের বিদায়ী কমিটির আহবায়ক ফুজায়েল চৌধুরী ও সদস্য সচিব মহসিন মিয়া সহ পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা। এরই জেরে তারা জেলা কৃষক দলের আহবায়ক, যুগ্ম সম্পাদক ও নবগঠিত ছাত্রদলের আহবায়কের বাড়িতে হামলা চালায়। এনিয়ে জেলা শহরে দুই পক্ষের মধ্যে গুলাগুলিও হয়। এরই প্রেক্ষিতে শহরের লোকনাথ দীঘির পাড় পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি দেয় উভয় পক্ষ। পরে নবগঠিত কমিটির নেতারা শহরতলীর বিরাসারে কর্মসূচী করতে চাইলে সেখানে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। এসময় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
আজ শুক্রবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-বিজয়নগরের নবনির্মিত শেখ হাসিনা সড়কের শিমরাইলকান্দি তিতাস নদী এলাকায় নবগঠিত কমিটির আহবায়ক শাহিনুর রহমান ও আরও কয়েকজন ঘুরতে যান। এই খবরে সেখানে যান সদ্য সাবেক সদস্য সচিব মহসিন মিয়া। সেখানে মহসিন গেলে আহবায়ক শাহিন ও বিশালের দেখা হলে তাদের হাতাহাতি হয়। এরই মাঝে সেখানে দলবল নিয়ে উপস্থিত হন সদ্য সাবেক আহবায়ক ফুজায়েল চৌধুরী। এসময় আহবায়ক শাহিনের উপর লাঠিসোঁটা দিয়ে আঘাত করলে তিনি তিতাস নদীর পানিতে নেমে আত্মরক্ষা করেন। তার সাথে থাকা বিশাল ফেরাতে আসলে তাকে পিটিয়ে আহত করেন। পরে তাদের উদ্ধার করে জেলা সেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা উদ্ধার করে নিয়ে যান। এরমধ্যে বিশালকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এই বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সদস্য সচিব মহসিন মিয়া বলেন, বিকেলে আমরা ঘুরতে যাই। সেখানে আহবায়ক শাহিন আমাদের উপর হামলা করার চেষ্টা করেন। পরে আমরা আত্মরক্ষা করেছি।
তবে এই বিষয়ে জানতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক শাহিনুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহরাব আল হোসাইন জানান, ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে সেখানে কাউকে গিয়ে পুলিশ পায়নি। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।
Posted ১০:৩৭ পিএম | শুক্রবার, ০৭ জুলাই ২০২৩
The Daily Sarod | Pijush Kanti Acharya