জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রিন্ট
বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : 10:53 pm
ঢাকা থেকে শুরু হওয়া ভারতের আগরতলা অভিমুখী বিএনপির তিন অংগসহযোগী সংগঠনের লং মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় এসে শেষ হয়েছে। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় আখাউড়া স্থলবন্দর মাঠে জনসভা পর শেষ হয়েছে লং মার্চ।
এর আগে, সকাল ৮টায় রাজধানীর নয়া পল্টন থেকে লং মার্চ শুরু হয়। ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারি হাই কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল ভারতের আগরতলা অভিমুখে লং মার্চের ডাক দেন। গত ৮ ডিসেম্বর ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনে স্মারকলিপি প্রদান করার পর এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন নেতারা।
বুধবারের জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুবদলের সভাপতি আবুল মোনায়েম মুন্না বলেন, বাংলাদেশকে আপনারা প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে হবে। আমরা সুস্পষ্ট ভাবে বলতে চাই, বাংলাদেশের বাইরে আমাদের কোন প্রভূ নেই, আমরা প্রতিবেশী হিসেবে বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে শ্রদ্ধা করি।
তিনি বলেন, একটি রাষ্ট্রের হাই কমিশনের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব সেই রাষ্ট্রের। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ সেই নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
সেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, সেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন প্রমুখ।
ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, ‘এ দেশে আওয়ামী লীগের কোনো অস্তিত্ব নেই। এদেশের মানুষ ভারতের আগ্রাাসী মনোভাব মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ। আবার যদি পতাকা অবমাননা হয় তাহলে আমরা এর কঠোর জবাব দিবো।’
যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, ‘ভারতে বাংলাদেশের পতাকা পুড়ানোর সময় সেখানে পুলিশ ছিলো নীরব। এটি এটি অবমাননা। তারা প্রতিবেশি দেশ। কিন্তু বন্ধু হতে পারেনি। তারা তিস্তারর পানি না দিলেও ফেনী নদী থেকে নিয়ে গেছে। তারা পররাস্ট্র নীতি কি হবে শেখায়। আগে তাদের জাহাজ ভিড়তে দিতে হয়। স্বাধীনতার পর থেকে তারা শোষণ করে। আমরা জামদানি পাঠাই, ইলিশ পাঠাই। তারা ফালানির লাশ দেয় আর ফেন্সিডিল দেয়।’
Posted ১০:৫৩ পিএম | বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪
The Daily Sarod | Pijush Kanti Acharya