অনলাইন ডেস্ক
প্রিন্ট
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ৭:১৪ অপরাহ্ণ
অকাল প্রয়াত লেখক-শিল্পী ও সংগ্রাহক সাইফুল ইসলাম রিপনের অগ্রন্থিত রচনাবলি ও স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন হয়েছে। আজ শনিবার (১৩ জুন) সাহিত্য একাডেমির আয়োজনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
কবি ও গবেষক জয়দুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহসভাপতি কবি মানিক রতন শর্মা। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন সাহিত্য একাডেমির সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন।
বক্তব্য দেন প্রকাশিত গ্রন্থের সম্পাদক আবুল খায়ের টিটু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, প্রাবন্ধিক ও গবেষক মানবর্দ্ধন পাল, উদীচী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সংসদের সভাপতি জহিরুল ইসলাম স্বপন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আল আমিন শাহিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও লেখক-গীতিকার মোসলেম উদ্দিন সাগর, নারী নেত্রী নন্দিতা গুহ, কবি ও গীতিকার মো. আব্দুর রহিম, কবি ও গল্পকার শিরিন আক্তার, সাংস্কৃতিক সংগঠক ফারুক আহমেদ ভূঁইয়া, কবি আমির হোসেন, সংস্কৃতিকর্মী জামিনুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকি, কবি রিপন দেবনাথ, নুসরাত জাহান বুশরা, সঞ্জয় কুমার সাহা ও এস এস শাহীন।
অনুষ্ঠানে সাইফুল ইসলাম রিপনকে নিয়ে শোক ও স্মৃতিচারণ করেন একিউএম জাহিদুল বারী, মো. জসীম উদ্দিন, মো. মুশফিকুর রহমান, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. শাহেদুর রহমান, আরিফুর রহমান টিটু এবং মরহুমের স্ত্রী জারিন তাসনীম মনি।
এ সময় কবি জয়দুল হোসেন বলেছেন, সাইফুল ইসলাম রিপন একজন নিবেদিত প্রাণ সংস্কৃতিকর্মী ছিলেন। সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রতি তার গভীর অনুরাগ ছিল। তিনি ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার একজন মানুষ। ছড়া-কবিতা লিখতেন, আবৃত্তি এবং উপস্থাপনা করতেন। ছবি আঁকতেন, ভাস্কর্য তৈরি করতেন এবং নানা দেশের ডাক টিকিট, মুদ্রা ও দিয়াশলািইয়ের বাক্স সংগ্রহসহ নানা ধরনের জিনিস সংগ্রহ করা তার অন্যতম নেশা ছিল।
অধ্যাপক মানবর্দ্ধন পাল বলেছেন, নির্লোভ, নিরহংকারী ব্যক্তি হিসেবে সবার কাছে পরিচিত ছিলেন সাইফুল ইসলাম। সদা হাস্যোজ্জ্বল এবং প্রচারবিমুখ মানুষ ছিলেন। তার অকাল মৃত্যু সাহিত্য এবং সংস্কৃতিতে এক ধরনের শূন্যতা তৈরি করেছে।
Posted ৭:১৪ অপরাহ্ণ | শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
dainiksarod | Pijush Kanti Acharya