https://www.jac-recruitment.sg/?source=google.com
শিরোনাম
অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার নেবে কারিতাস বাংলাদেশ দাতা ওয়ারিশদের পাশ কাটিয়ে দক্ষিণ কালীবাড়ি মন্দিরের কমিটি গঠনে প্রতিবাদ সভা নবীনগরে অপহরণের পর আটকে রেখে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিতে আর্জেন্টিনা হরমুজ প্রণালিতে হামলা বন্ধে ইরানের অঙ্গীকার চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তরীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সীমান্ত থেকে ৩ কোটি টাকার ভারতীয় মোবাইলফোন ডিসপ্লে উদ্ধার বাংলাদেশসহ ৭ দেশের জন্য সৌদির বিশেষ ভিসা সুবিধা ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা শেখ হাসিনার আড়াই বছর ধরে শিক্ষকের স্বামীর ‘নগদে’ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা!

নবীনগরে অপহরণের পর আটকে রেখে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক   প্রিন্ট
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬   সর্বশেষ আপডেট : 11:11 am

নবীনগরে অপহরণের পর আটকে রেখে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে এক সন্তানের জননী ১৮ বছর বয়সী এক হিন্দু তরুণীকে অপহরণের পর তিনদিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের রফিকুল ইসলাম ওরফে ড্রেজার রফিকের ছেলে ইমন মিয়া (২৪) এর বিরুদ্ধে নবীনগর থানায় অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভুক্তভোগীর স্বামী প্রবাসে থাকেন। তাদের দুই বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পক্ষে-বিপক্ষে নানা ধরনের পোস্ট ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী শনিবার রাতে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ, মামলার এজাহার এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুলাই সকালে উপজেলার জীবনগঞ্জ/মাঝিয়ারা বাজারে যাওয়ার পর ওই তরুণী আর বাড়ি ফেরেননি। পরে তার বাবা নবীনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
স্থানীয়দের দাবি, নিখোঁজের তিনদিন পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার নবীনগর সদরের সমবায় মার্কেট সংলগ্ন একটি ভবনের চারতলা থেকে তাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে নিয়ে যান।
ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, ৮ জুলাই সকালে বাড়ি ফেরার পথে একই গ্রামের ইমন মিয়া জোরপূর্বক তাকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নাকে অচেতনকারী কিছু প্রয়োগ করে নবীনগর সদরের সমবায় মার্কেট সংলগ্ন একটি ভবনের চারতলায় নিয়ে যায়। সেখানে তিনদিন আটকে রেখে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। তিনি আরও দাবি করেন, ওই সময় তাকে খাবার দেওয়া হলেও তিনি কিছু খাননি, শুধু পানি পান করে ছিলেন।
শাহপুর গ্রামের বাসিন্দা আরিফুর রহমান আরিফ জানিয়েছেন , ইমনের দুই বন্ধুর সহযোগিতায় ভুক্তভোগীর পরিবার শুক্রবার বিকেলে তাকে ওই ভবন থেকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। পরে পুলিশ গ্রামে গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলে এবং শনিবার বিকেলে মামলা করার জন্য তাকে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয় একটি সূত্রের দাবি, শুক্রবার বিকেলে নবীনগর সদরের কয়েকজন যুবক ওই তরুণী ও অভিযুক্ত ইমনকে আটক করে জিডির তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কামাল হোসেনকে খবর দেন। তবে সেখানে অভিযুক্ত ইমন আপসের সুযোগে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে ভুক্তভোগীকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে এ বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। কেউ এটিকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনা বলছেন, আবার কেউ পরকীয়ার অভিযোগ তুলছেন। এ প্রসঙ্গে রতনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা (ভিপি মারুফ) নিজের ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, বিষয়টি পরকীয়া নাকি অপহরণ ও ধর্ষণ—তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বের করে আনা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে নবীনগর থানার ওসি মোরশেদুল আলম চৌধুরীর ভাষ্য , “ভুক্তভোগী ইমন মিয়ার বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ এনে ভুক্তভোগী মামলা করেছেন। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Facebook Comments Box

Posted ১১:১১ এএম | রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

dainiksarod |