ডেস্ক রিপোর্ট
প্রিন্ট
মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১
সর্বশেষ আপডেট : 9:57 pm
গত ১০ বছরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে সাড়ে ছয় হাজারের বেশি অভিবাসী শ্রমিক মারা গেছেন। এদের মধ্যে অন্তত ১ হাজার ১৮ জন বাংলাদেশি। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
গত এক দশক আগে কাতার ২০২২সালের ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক নির্বাচিত হয়। এর পরপরই অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। বিশ্বকাপের জন্য নতুন সাতটি স্টেডিয়ামসহ কয়েক ডজন বিশাল প্রকল্প হাতে নিয়েছে তারা। ইতোমধ্যেই এর বেশ কয়েকটির কাজ শেষ, বাকিগুলোর কাজও এগিয়ে চলেছে পুরোদমে। আর এই কাজ করছেন মূলত দক্ষিণ এশিয়া থেকে যাওয়া অভিবাসী শ্রমিকরা।
দ্য গার্ডিয়ানের এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানা যায়, গত ১০ বছরে কাতারে কাজ করতে গিয়ে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সাড়ে ছয় হাজারেরও বেশি শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন। অর্থাৎ, কাতারে প্রতি সপ্তাহে এই পাঁচটি দেশের গড়ে ১২ জন শ্রমিক মারা গেছেন।
বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সরকারি তথ্যের ভিত্তিতে ব্রিটিশ পত্রিকাটি বলছে, কাতারে ২০১১ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার এই চারটি দেশের ৫ হাজার ৯২৭ জন শ্রমিক মারা গেছেন।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভারতের শ্রমিক। গত ১০ বছরে কাতারে ২ হাজার ৭১১ জন ভারতীয় শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এরপর নেপালের ১ হাজার ৬৪১ জন, বাংলাদেশের ১ হাজার ১৮ জন এবং শ্রীলঙ্কার রয়েছে ৫৫৭ জন।
এছাড়া পাকিস্তান দূতাবাসের হিসাবে, ২০১০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে তাদের ৮২৪ শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন।
তবে সেখানে গত এক দশকে অভিবাসী শ্রমিকের প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেশি। কারণ, গার্ডিয়ানের এই হিসাবের মধ্যে ফিলিপাইন-কেনিয়ার মতো দেশগুলোর শ্রমিকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ২০২০ সালের শেষ কয়েক মাসের হিসাবও এখানে নেই।
Posted ৯:৫৭ পিএম | মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১
The Daily Sarod | Pijush Kanti Acharya