আপডেট

x

হেফাজতের মামলায় আসামী করা হচ্ছে বিএনপি’র নেতাকর্মীদের: ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিএনপি

মঙ্গলবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৯:২০ অপরাহ্ণ | 69 বার

হেফাজতের মামলায় আসামী করা হচ্ছে বিএনপি’র নেতাকর্মীদের: ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিএনপি

জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র নেতাকর্মীদের দমন নিপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে হেফাজতে ইসলামের জ্বালাও-পুড়াও মামলাকে  ব্যবহার করা অভিযোগ করেছে দলটির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নেতারা। এসব মামলা এই পর্যন্ত জেলার আড়াইশো নেতাকর্মী কারাগার বরণ করেছে। আজ মঙ্গলবার (০৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন তারা।


এসময় জেলা বিএনপির আহবায়ক জিল্লুর রহমান লিখিত বক্তৃতায় বলেন, গতবছর ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনায় ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ করা হয়। এর পরবর্তী দুইদিন ২৭ ও ২৮ মার্চও সংঘাতে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এসব ঘটনায় অসংখ্য মাদরাসা ছাত্র ও সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছেন। যা নিন্দনীয়, ঘৃনীত ও অমার্জনীয় কাজ। এসব ঘটনা আপনাদের মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করেছেন, যা দেশবাসী দেখেছে। সেখানে কোন ঘটনায় বিএনপিকে দোষারোপ করে কোনরূপ প্রচারণা ছিল না। এই ঘটনায় কোন প্রকার সংশ্লিষ্টতা না থাকার পরও  এসব ঘটনায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে আসামী করা হচ্ছে। তাদের বাড়ি ঘরে ভীতিকর পরিবেশ করে তল্লাশির নামে হয়রানি করা হচ্ছে।

webnewsdesign.com

তিনি আরও বলেন, ২০১৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে মাদ্রাসা ছাত্র ও ছাত্রলীগের মধ্যে একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেদিন সরকার দলীয় লোকজন ঐতিহ্যবাহী জামেয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর চালায়। সেই সংঘর্ষে হাফেজ মাসুদ নিহত হয়।সেই ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠে ব্রাহ্মণবাড়িয়া। এসময় চট্রগ্রামের ডিআইজির মাধ্যমে উভয় পক্ষ সমঝোতা হয়। সেই সমঝোতায় উল্লেখ ছিল কেউ কারো পক্ষে মামলা দায়ের করবে না, কারো নাম উল্লেখ ছাড়া একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে সেই ডায়েরি মামলায় রূপান্তরিত হয়ে বিএনপির গাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হয়। আসামী করা হয় বিএনপির নেতাকর্মীদের। এখন পর্যন্ত বিএনপির প্রায় ২৫০জন নেতাকর্মী হেফাজতের মামলায় কারাবন্দী ছিলেন।

এসময় জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক খোকন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, আহবায়ক কমিটির সদস্য শফিকুল ইসলাম, গোলাম সারোয়ার খোকন, মুমিনুল হক, পৌর বিএনপির সভাপতি নজির উদ্দিন আহমেদ, সদর উপজেলার বিএনপির আহবায়ক জহিরুল ইসলাম লিটন প্রমুখ।

বিএনপি নেতাকর্মীদের হেফাজতে ইসলামের তান্ডব মামলায় আসামী করা হচ্ছে, এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহরাব আল হোসাইন বলেন, আমরা তদন্ত সাপেক্ষে মামলায় আসামী করেছি। কে কোন দল করে বা কে কোন ব্যক্তি তা আমাদের কাছে মূখ্য বিষয় নয়। আমরা অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই দেখি।


মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com