জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা

দিন

ঘন্টা

মিনিট

সেকেন্ড

স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতার বিরুদ্ধে পা কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯ | ১০:১৯ পিএম | 274 বার

স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতার বিরুদ্ধে পা কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি আবুল বাশারের বিরুদ্ধে এক ব্যক্তিকে টেঁটাবিদ্ধ করে পায়ের একাংশ কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কেটে নিয়ে যাওয়া পায়ের একাংশ উদ্ধারে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার রূপসদী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামের কালা মিয়ার সাথে দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি আবুল বাশারের বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই আবুল বাশার ও তার লোকজন শুক্রবার বিকেলে কালা মিয়া(৪৫) ও তার ছেলে বিল্পব মিয়া (১৯) কে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে টেঁটাবিদ্ধ করে। পরে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে কালা মিয়াকে দুইটি টেঁটাবিদ্ধ অবস্থায় ডান পায়ের হাঁটু থেকে নিচ পর্যন্ত কেটে নিয়ে যায়। কালা মিয়াকে দা দিয়ে কুপিয়ে পায়ের একাংশ নিয়ে যায় এবং তার ছেলে বিপ্লবের দুই পায়ের রগ কর্তন করে দুইটি টেঁটাবিদ্ধ করে ফেলে রেখে যায়। তাদেরকে প্রত্যক্ষদর্শীরা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরনে কালা মিয়া তার ছেলে বিপ্লবের শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি আবুল বাশার বলেন,‘আমি ঢাকায় অবস্থান করতেছি, কালা মিয়ার পা আমি কেটেছি এই অভিযোগ সঠিক না। যতটুকু শুনতে পেরেছি কালা মিয়া আমাদের গ্রামের এক বাড়িতে চুরি করতে গিয়েছিল। সেই বাড়ির লোকজন ও এলাকাবাসী ধরে তাকে গণপিটুনি দিয়েছে শুনেছি। তবে পরবর্তীতে কী হয়েছে আমি জানি না।’

এবিষয়ে গুরুতর আহতবস্থায় কালা মিয়া অভিযোগ করে বলেন,‘ আমারে বাড়ি থেকে বাশার ও তার বাহিনীর লোকজন ডাইক্যা নিয়া চল (টেঁটা) বিন্দাইয়া দাও দিয়া কুপাইয়া কুপাইয়া ডাইন পাওডার (পা) হাঁটুর উপর থেকে নিচ পর্যন্ত কাইট্যা লইয়া গেছে। হেরা নাকি পাওডা (পা) ফুগাইয়া (শুকিয়ে) ফেরত দিবো। আমার পাও (পা) কাটার লগে জড়িত আবুশ বাশার, ধন মিয়া, মনির মেম্বার, আনার হোসেন, আমাদুল, আলিসহ আরো কয়েকজন। এম বিষ ব্যাথা করতাছে মনে হয় মইরা যামু।’’

এবিষয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সালাহ্ উদ্দিন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, এই ঘটনার খবর পেয়ে আমি তাৎক্ষনিক ভাবে পুলিশ পাঠিয়েছি। ঘটনার সাথে যারা জড়িত প্রত্যেককে গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চলছে।

মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com