আপডেট

x

শ্রেনী কক্ষকে বানানো হলো রান্নাঘর-নির্মাণ সামগ্রীর গোডাউন!

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৬:১৮ অপরাহ্ণ | 205 বার

শ্রেনী কক্ষকে বানানো হলো রান্নাঘর-নির্মাণ সামগ্রীর গোডাউন!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে এক শিক্ষক তার বাড়ির ভবণ নির্মাণ করায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেনী কক্ষকে শ্রমিকদের থাকার বসত ঘর বানিয়েছেন। পাশাপাশি শ্রেনী কক্ষেই চুলা স্থাপন করে চলছে রান্নাবান্না। গত দুইমাস যাবত উপজেলার বড্ডাপাড়া এলাকার রাহমাতুল্লিল আলামামিন দাখিল মাদ্রাসার সহকারী সুপার কাজী আব্দুল হান্নান এমনটি করে চলেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। করোনা ভাইরাসের পাদুর্ভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সুবাধে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন তিনি।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার বড্ডাপাড়া এলাকার এমপিওভুক্ত রাহমাতুল্লিল আলামামিন দাখিল মাদ্রাসার সহকারী সুপার কাজী আব্দুল হান্নান। মাদরাসার অদূরে তিনি নিজের ব্যক্তিগত জায়গায় ভবন নির্মাণ কাজ করছেন। করোনার প্রাদুর্ভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তিনি তার ব্যক্তিগত নির্মানাধীন ভবনের মালামাল মাদরাসার শ্রেনী কক্ষে দখল করে রেখেছেন। শুধু মালামালই নয়, শ্রেনী কক্ষে নির্মাণ শ্রমিকদের রাত্রী যাপনের ব্যবস্থা করেছেন। পাশাপাশি শ্রমিকদের রান্নাবান্না জন্যে এলপি গ্যাসের মাধ্যমে শ্রেণী কক্ষেই তৈরী করেছেন অস্থায়ী রান্নাঘর। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার সরকারি নির্দেশনাকে অমান্য করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেণী কক্ষকে রান্নাঘর বানিয়ে পরিবেশকে নোংরা ও অপরিষ্কার করে রেখেছেন প্রতিষ্ঠানটির সহকারী প্রধান। এতে মাদ্রাসার একাধিক শিক্ষক ও স্থানীয় লোকজনের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাদরাসার সহকারী সুপার কাজী আব্দুল হান্নান বলেন, আমি হল সুপার মাওলানা আবু আক্কাস সাহেবের অনুমতিক্রমে মাদ্রাসার দুইটি রুমে লেবার থাকার জন্য ব্যবহার করছি৷

মাদরাসার সুপার মাওলানা আবু আক্কাছ হায়দার বলেন, কাজী আবদুল হান্নান আমার সহকর্মী হিসেবে মৌখিকভাবে আমার কাছে অনুমতি চাইলে মানবিক দিক বিবেচনা করে আমি অনুমতি দিয়েছি। যেহেতু হান্নান সাহেবের কোন ছেলে সন্তান নেই।

এ বিষয়ে সরাইল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সহিদ খালিদ জামিল খান বলেন, বিষয়টি শুনে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আবু আক্কাছ হায়দার কে আমি তাৎক্ষণিকভাবে নির্দেশ দিয়েছি আধা ঘন্টার ভিতরে সবকিছু পরিষ্কার করতে।

সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এস এম মোসা বলেন, রাহমাতুল্লাহ আলামিন দাখিল মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি আছে, কমিটির সভাপতি আছে, অভিভাবক প্রতিনিধি আছে, তাদের তো দায়িত্ব আছে দেখাশোনা করা। তারপরও খোঁজখবর নিচ্ছি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।


মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com