আপডেট

x

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্কুল ছাত্রীর বাল্যবিয়ে‌ বন্ধ করলেন ইউএনও

শুক্রবার, ০৩ জানুয়ারি ২০২০ | ৭:২৮ অপরাহ্ণ | 90 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্কুল ছাত্রীর বাল্যবিয়ে‌ বন্ধ করলেন ইউএনও

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে সপ্তম শ্রেণির স্কুল ছাত্রীর। বাল্যবিয়ে আয়োজনের দায়ে ওই স্কুলছাত্রীর বাবাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ বড়ুয়া স্বশরীরে সদর উপজেলার ঘাটুরা এলাকায়‌ স্কুল ছাত্রীর বাড়িতে হাজির হয়ে এই বিয়ে বন্ধ করেন। ঘটনাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের ঘাটুরা এলাকার।

স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ ও ইউএনওর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে,  সদর উপজেলার এক যুবকের সঙ্গে ঘাটুরা এলাকার একটি গ্রামের সপ্তম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করে উভয় পরিবারের লোকজন। শুক্রবার দুপুরের পর স্কুল ছাত্রীর বাড়িতে শুরু হয় অতিথিদের আপ্যায়ন।বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ওই স্কুল ছাত্রীর বাড়িতে বরপক্ষের লোকজন উপস্থিত হননি। স্থানীয় লোকজন উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করেন। বিয়ের বিষয়টি জানতে পেরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ বড়ুয়া সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ঈসমাইল হোসেন ও পুলিশকে নিয়ে ওই কিশোরীর বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেন। অপ্রাপ্ত বয়স্ক জেনেও বিয়ে দিতে রাজী হওয়ায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে স্কুল ছাত্রীর বাবাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী হাকিম ও ইউএনও পঙ্কজ বড়ুয়া। আর প্রাপ্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে ওই ছাত্রীর মা-বাবা মুচলেকা দেন।

ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী হাকিম ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, অপ্রাপ্ত বয়সে বাল্যবিয়েতে রাজী হওয়ায় ওই স্কুল ছাত্রীর বাবাকে এক জরিমানা করা হয়। আর প্রাপ্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত ওই ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করবেন না মর্মে তার অভিভাবকরা মুচলেখা দিয়েছেন।

তিনি জানান, সবাই সচেতন হলে বাল্যবিয়ের আয়োজন হবে না।

মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com