আপডেট

x

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয়পার্টির ২১প্রার্থীর ১৮জনই জামানত হারালেন

মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারি ২০২২ | ৮:১৭ অপরাহ্ণ | 155 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয়পার্টির ২১প্রার্থীর ১৮জনই জামানত হারালেন

দেশব্যাপী ৬ষ্ঠ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ১০০টি ইউনিয়নের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে ৭৯টি ইউনিয়নে। এসব নির্বাচনে জাতীয়পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থীদের ভরাডুবি হয়েছে। শুধু মাত্র একটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেছে জাতীয়পার্টির মনোনীত প্রার্থী। এছাড়া জামানত হারিয়েছেন ১৮টি ইউনিয়নে।


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৫ম ধাপ পর্যন্ত জেলার ৮টি উপজেলার ৭৯টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে বাকী ইউনিয়ন গুলোতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনে জাতীয়পার্টি ২১টি ইউনিয়নে লাঙ্গল প্রতীকে তাদের মনোনীত প্রার্থী দেন। এরমধ্যে শুধু সরাইল উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নে জাতীয়পার্টি মনোনীত প্রার্থী মোশাররফ হোসেন ভূইয়া লাঙ্গল প্রতীকে ৭২১৭ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। একই উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নে আলী নেওয়াজ ২৬৩৪ ভোট ও চুন্টা ইউনিয়নে বাহার মিয়া ৪৫২০ ভোট লাঙ্গল প্রতীকে পেয়ে ৩য় হয়েছে। বাকী ১৮টি ইউনিয়নে জাতীয়পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থীরা নিজেদের জামানত হারিয়েছেন। এরমধ্যে ৯জনই দুই অংক পাড় হতে পারেনি।

webnewsdesign.com

জাতীয়পার্টির মনোনীত প্রার্থী যে ১৮জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন, তারা হলেন- নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নে মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ১০৬ ভোট, ফান্দাউক ইউনিয়নে নূর আহম্মদ ২৭৩ভোট, চাপড়তলা ইউনিয়নে দিয়ারিশ মিয়া ৯৩ ভোট, ধরমণ্ডল ইউনিয়নে লুৎফুর রহমান ১৩৩ ভোট, চাতলপাড় ইউনিয়নে শফিক মিয়া ২২৫ভোট, গোকর্ণ ইউনিয়নে সৈয়দ মিজানুর রহমান ১৫৩ভোট, কুন্ডা ইউনিয়নে নাদিম হোসেন মাছুম ৯৫ভোট, বিজয়নগর উপজেলার চম্পকনগর ইউনিয়নে বিল্লাল আহমেদ ২০২ভোট, পাহাড়পুর ইউনিয়নে আব্দুল কাদির ৭৫ভোট, পাকশিমুল ইউনিয়নে কাজী ওবায়দুল হক ৮২ভোট, শাহবাজপুর ইউনিয়নে মিলাদুল ইসলাম ৯৩ভোট, পানিশ্বর ইউনিয়নে উসমান গণি ৩০ভোট, শাহাজাদাপুর ইউনিয়নে আতাউর রহমান ৫৬ভোট এবং নবীনগরের সাতমোড়া ইউনিয়নে হারুন অর রশিদ ২৪ ভোট, আশুগঞ্জ উপজেলার চরচারতলা ইউনিয়নে রাজু আহমেদ উজ্জ্বল ১৬৩ভোট, সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নে আবুল কাশেম ১৮৪ভোট, সুলতানপুর ইউনিয়নে জুটন মিয়া ৩০০ভোট ও নাটাই উত্তর ইউনিয়নে রাশেদ মিয়া ৩৩ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান জানান, প্রাপ্ত বৈধ মোট ভোটের ৮ভাগের একভাগ ভোট কোন প্রার্থী না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়ে থাকে।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জাতীয়পার্টির আহবায়ক অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূইয়া ইউপি নির্বাচনে নিজ দলের ভরাডুবির বিষয়ে বলেন, আমাদের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা অর্থনৈতিক ভাবে শক্তিশালী ছিল না। যার কারণে নির্বাচনী তারা করতে পারেননি। এছাড়া আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ধাবাধাবিতে আমাদের প্রার্থীরা সুবিধা করে উঠতে পারেনি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রার্থী বাছাইয়ে ত্রুটি ছিল না। কারণে চেয়ারম্যান পদে একাধিক কেউ মনোনয়ন চাননি।


মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com