আপডেট

x

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে যোগ দিচ্ছেন মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন

বৃহস্পতিবার, ১০ জুন ২০২১ | ২:০২ অপরাহ্ণ | 3066 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে যোগ দিচ্ছেন মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে বদলী করা হয়েছে মোল্লা মোহাম্মদ শাহীনকে। বুধবার (৯জুন) বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক ( আইজিপি) ড. বেনজির আহমেদ সাক্ষরিত পুলিশ সদর দপ্তরের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে বদলী করা হয়।


মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

webnewsdesign.com

এরআগে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মো. রহিজ উদ্দিনকে চট্রগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়। তার স্থলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) হিসেবে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-২ সিপিসি-৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামানকে পদায়ন করা হয়। কিন্তু তিনি যোগদানের আগেই পুলিশ সদর দপ্তর তার বদলীর আদেশ বাতিল করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার পদে বদলী করা হয়। মো. মনিরুজ্জামানের স্থলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে মোল্লা মোহাম্মদ শাহীনকে বদলী করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।

২৬-২৮মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের তান্ডবের পর একে একে পুলিশ কর্মকর্তাদের বদলীর হিড়িক উঠে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) রহিজ উদ্দিন, বিশেষ শাখার সহকারী পুলিশ সুপার আলাউদ্দিন চৌধুরী, সদর মডেল থানার ওসি মো. আবদুর রহিম, খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসি গাজী মো. সাখাওয়াত হোসেন, সরাইল থানার ওসি নাজমুল আহমেদ, সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুহাম্মদ শাহজাহান,পরিদর্শক (অপারেশন) ইশতিয়াক আহমেদ ও জেলা পুলিশের কর্মরত ১৩জন উপ-পরিদর্শক (এসআই)কে বদলী করা হয়েছে। সর্বশেষ বুধবার (৯জুন) ইবিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমানকে রংপুর ও নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিচুল হককে বরিশাল রেঞ্জ পুলিশে বদলী করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামে মাদরাসাছাত্রদের ওপর পুলিশের হামলার খবরে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক তাণ্ডব চালায় হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা। এসময় পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, প্রেসক্লাব, মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয়, জেলা পরিষদ কার্যালয় ও ডাকবাংলো, খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা ভবন, আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন, আলাউদ্দিন খাঁ পৌরমিলনায়তন ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরসহ ৩৮টি সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এই ঘটনায় নিহত হয় ১২জন। এসব ঘটনায় ৫৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরমধ্যে মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯ টি, আশুগঞ্জ থানায় ৪টি, সরাইল থানায় ২টি ও রেলওয়ে থানায় ১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরমধ্যে মামলায় ৪১৪জন এজাহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০-৩৫ হাজার মানুষকে আসামী করা হয়েছে।

রাফি/


মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com