ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৬ বছর আগে নাঈম হত্যা মামলায় ৩জনের যাবজ্জীবন

সোমবার, ১০ জুন ২০২৪ | ১২:০০ পূর্বাহ্ণ |

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৬ বছর আগে নাঈম হত্যা মামলায় ৩জনের যাবজ্জীবন
Spread the love

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তর পৈরতলার ১৬ বছর আগে মো. নাঈম  হত্যার মামলার রায়ে ৩ জনকে যাবজ্জীবন ও ৩জনকে ৭ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। রোববার (৯ জুন) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক আব্দুল হান্নান এই রায় প্রদান করেন।

যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্তরা হলেন, জেলা সদরের উত্তর পৈরতলার দাড়িয়াপুর গ্রামের কানু দাসের ছেলে কাজল দাস (৩৯), রঞ্জন দাসের ছেলে জুনু দাস (৩৮) ও অশ্বিনী দাসের ছেলে অভিরাম দাস (৩৬)।

webnewsdesign.com

এ ছাড়া ৭ বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে একই গ্রামের রঞ্জন দাসের ছেলে জুয়েল দাস (৩৯), হীরা লাল দাসের ছেলে স্বপন কুমার দাস (৪৪) ও হরী দাসের ছেলে অশ্বিনী দাস (৭৬)।
সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে রায় প্রদানকালে শুধু স্বপন কুমার দাস উপস্থিত ছিলেন, বাকি সব পলাতক রয়েছেন।

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১৬জুন রাতে নিখোঁজ হন জেলা শহরের উত্তর পৈরতলার সের আলী মিয়ার ছেলে মো. নাঈম। এই ঘটনার দুইদিন পর ১৮ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করে পরিবার। পরে ২৩ জুন উত্তর পৈরতলা-কালিসীমা সড়কের সেতুর নিচে গলিত স্থানীয়রা নাঈমের মরদেহ উদ্ধার করে। মিরদেহ উদ্ধারের পর নাঈমের চাচা আলী মিয়া বাদি হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে তদন্ত শেষে ২০০৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারী পুলিশ চার্জশিট প্রদান করে। কিন্তু আসামি পক্ষ নারাজি দিলে মামলাটি সিআইডিতে অধিকতর তদন্তের জন্যে স্থানান্তর করা হয়। পরে তদন্ত শেষে সিআইডি ২০১০ সালের ২৯ জুলাই ৬জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট প্রদান করে। ২০১৩ সালের ১০ অক্টোবর আদালত চার্জ গঠন করে। পরে সাক্ষ্যপ্রমাণ, যুক্তিতর্ক সহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষে রোববার (৯ জুন) আদালত এই মামলার রায় প্রদান করেন। আদালত এই মামলাত ৩ জনকে যাবজ্জীবন ও ৩ জনকে ৭বছর করে কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি আজাদ রকিব আহাম্মদ তুরান এই রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন।

তবে বিবাদী পক্ষের আইনজীবী মো. রাকিব আহমেদ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এই মামলায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে নিজেদের না জড়িয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। কোন সাক্ষি কোন আসামীর নাম বলতে পারে নাই। এই রায়ে ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হয়েয়ে। আমরা উচ্চ আদালতে যাব, আশা করে সেখানে আমরা খালাস পাবো।

মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com