আপডেট

x

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি স্কুলে ভর্তির লটারি তালিকায় এক ছাত্রীর নাম উঠলো ৮ বার

মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২২ | ৭:৫৫ অপরাহ্ণ | 40 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি স্কুলে ভর্তির লটারি তালিকায় এক ছাত্রীর নাম উঠলো ৮ বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি লিটারির ফলাফলের তালিকায় এক শিক্ষার্থীর নাম ৮ বার এসেছে। সোমবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে শহরের গভঃ মডেল গালর্স হাই স্কুলের গেইটে ঝুলিয়ে দেওয়া ফলাফল শিটে এই তথ্য জানা যায়৷ আজ মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা প্রতিবাদ জানান।


গভঃ মডেল গালর্স হাই স্কুলের গিয়ে জানা যায়, সারাদেশের মতো ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গভ: মডেল গালর্স হাই স্কুলে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ১৪১জন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আবেদন নেওয়া হয়। অনলাইনে শিক্ষার্থীরা আবেদন করার পর সোমবার লটারির মাধ্যমে বাছাই করা হয়। ওই দিন বিকেলে স্কুলের গেইটে লটারিতে বাছাই করা শিক্ষার্থীদের তালিকা লাগিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে দেখা যায় তাহিয়া নামের এক শিক্ষার্থীর নাম ৮ বার লটারিতে বাছাইয়ের তালিকায় প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে পিতা-মাতা ও মোবাইল নাম্বার একই লিখা থাকলেও আনেদনের ইউজার আইডি নম্বর ভিন্ন ভিন্ন লেখা আছে। তালিকায় ১৩, ১৭, ২৪, ৩২, ৩৬, ৬৬, ৯৮ ও ১১৬ নম্বরে তাহিয়ার নাম এবং ছবি দেওয়া রয়েছে। একই শিক্ষার্থীর নাম লটারিতে ৮ বার থাকায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন লটারিতে বাছাই পড়া শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা। তারা অভিযোগ করে বলেন, এখানে নিশ্চিত অবৈধ পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে। একই ইউজার আইডি, নাম, পরিচয় হলে বুঝতে পারতাম ভুলে এসেছে। কিন্তু একই শিক্ষার্থী আলাদা ৮ বার কিভাবে আবেদন করে ইউজার আইডি পেল?

webnewsdesign.com

বিনয় ঘোষ নামে এক অভিভাবক বলেন, আমি আমার মেয়ের ভর্তির ফলাফল দেখতে এসেছিলাম। এসে দেখলাম আমার মেয়ে সহ শতশত মেয়ে লটারিতে বাদ পড়েছে। কিন্তু এমন মেয়ে দেখলাম, তার নাম ৭/৮ বার এসেছে তালিকায়। এই ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়া হলে আন্তরিক ভাবে খুশি হবো।

আরেক অভিভাবক বলেন, একই বাচ্চা ৭/৮ বার পেয়ে গেল। আর একজন একবারও না। এখানে অন্য বাচ্চারা সুযোগ পেতে পাড়তো।

এই বিষয়ে গভঃ মডেল গালর্স হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা পারভীন আক্তার বলেন, এই ঘটনাটি কিভাবে ঘটলো আমি বলতে পারবো না। সম্পূর্ণ বিষয়টি অনলাইনে হয়ে থাকে ঢাকা থেকে। বিষয়টি আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জুলফিকার হোসেন বলেন, ‘গভ: মডেল গালর্স হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। জেলা প্রশাসক মহোদয়কে বিষয়টি জানাতে উনাকে বলা হয়েছে।’


অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( শিক্ষা ও আইসিটি) মো. জিয়াউল হক মীর বলেন, এক শিক্ষার্থীর নাম ৮ বার আসার বিষয়ে বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকা মুঠোফোনে জানিয়েছেন। স্থানীয় ভাবে কিছুই করা হয় না। অনলাইনে লটারির বিষয়ে সম্পূর্ণ ঢাকা থেকে দেখা হয়। সেখানেও বদল করার সুযোগ নাই। ওই শিক্ষার্থীর নাম ৮ বার আসলেও, সে একবারই ভর্তি হতে পারবে। বাকী গুলো ওয়েটিং লিষ্ট থেকে পূর্ণ করা হবে। আর একজন শিক্ষার্থী কিভাবে এত গুলো ইউজার আইডি ব্যবহার করলো, তা শিক্ষা অধিদপ্তর ভাল বলতে পারবে।’

মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com