আপডেট

x

বসতে দিলে শুতে চায়, খালেদার বিদেশযাত্রা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী

শুক্রবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২১ | ২:০৬ অপরাহ্ণ | 89 বার

বসতে দিলে শুতে চায়, খালেদার বিদেশযাত্রা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর প্রসঙ্গে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, মানবিক কারণে ওনাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী আদেশে মুক্তি দিয়েছেন দণ্ডাদেশ স্থগিত রেখে। ওনি চিকিৎসা করাচ্ছেন। এখন বলে বিদেশে যেতে দিতে হবে। কথায় আছে- দাঁড়াতে দিলে বসতে চায়, বসতে দিলে শুতে চায়। আর শুতে দিলে ঘুমাতে চায়।


শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন সিরাজুল হক পৌর মুক্তমঞ্চে আয়োজিত কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে অসহায়দের মাঝে মন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যেগে কম্বল বিতরণ করা হয়।

webnewsdesign.com

আনিসুল হক বলেন, খালেদা জিয়ার ছেলে যখন মারা যায়- তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমবেদনা জানানোর জন্য তার বাসায় যান। প্রধানমন্ত্রীর মুখের ওপরে গেইট বন্ধ করে দিয়েছিলেন, বাসায় ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এটি শুধু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অপমান করা হয়নি, সারা বাংলাদেশের মানুষকে অপমান করা হয়েছে। তারপরও প্রধানমন্ত্রী গতবছর আমাকে বলেছেন- বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ বলতেছে তারা। ওনি জেলখানায় আছে অনেকদিন হয়েগেছে। তার পরিবার একটা দরখাস্ত দিয়েছে। আইনের মারফত তুমি ওনাকে ছেড়ে দাও। আমি বললাম ঠিকআছে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা দুইটা শর্তে ওনাকে ছাড়লাম। একটা হচ্ছে ওনি বিদেশ যেতে পারবেন না, আরেকটা হচ্ছে ওনি নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন। এমন বলিনি যে ওনি হাসপাতালে যেতে পারবেন না। ওনি তিন তিনবার হাসপাতালে গেছেন। তাকে বিচারিক আদালত সাজা দিয়েছেন পাঁচ বছর। হাইকোর্টে আপিল করার পর সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেছেন। অন্যায় এতো গভীর যে এতিমের টাকা মেরে দিয়েছে, সেজন্য পাঁচ বছরের জায়গায় ১০ বছর করেছেন। তারপর জামিন চেয়েছেন, জামিন দেয়নি।

মন্ত্রী আরও বলেন, একটা আইনের কোনো দরখাস্ত যদি নিষ্পত্তি হয়ে থাকে- সেই নিষ্পত্তিকৃত দরখাস্ত আবার পুনর্বিবেচনা করার কোনো সুযোগ থাকেনা। ওনার বিদেশ যাওয়ার আবেদন আইনমন্ত্রণালয় নাকচ করেছে। ওনার জন্য ১৫ জন আইনজীবী আমার সঙ্গে দেখা করেছেন। আমি যে আইনে আবেদন নাকচ করেছি- সেটা সঠিক। তারপরও ওনারা যেটা বলছেন- সেটার কোথাও কোনো নজির আছে কিনা সেটা দেখার জন্য আমি সময় চেয়েছি। আমার সময় চাওয়া দেখে ওনারা বলেন আন্দোলন করবেন। মানবতা আন্দোলনের মাধ্যমে কামাই করা যায়না। আইন আইনের গতিতে চলবে, জিয়াউর রহমানের গতিতে চলবেনা।

অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন, পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান, আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা আক্তার ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com