আপডেট

x

ফখরুল সহ বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা হেফাজতকে উস্কে দিচ্ছেন: হানিফ

বুধবার, ৩১ মার্চ ২০২১ | ৯:২৫ অপরাহ্ণ | 164 বার

ফখরুল সহ বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা হেফাজতকে উস্কে দিচ্ছেন: হানিফ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বলেছেন, মার্চ মাসের শুরু থেকেই মির্জা ফখরুল সহ বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা বক্তব্যের মাধ্যমে হেফাজতকে উস্কে দিচ্ছেন। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী একজন রাষ্ট্রিয় অতিথি ছিলেন। আসার আগেই তারা বললেন, ‘উনাকে আসতে দেওয়া ঠিক হবে না, বাধা দিবে’। এসমস্ত বক্তব্য যে সকল ধর্ম ব্যবসায়ী দল দিয়েছে তাদের উস্কে দিচ্ছে বিএনপি। গতকালও মির্জা ফখরুল সাহেব বলেছেন, ‘২০২১ সালের মধ্যে সরকারের পতন হয়ে যাবে’। তারা যে সরকারের পতন হয়ে যাবে আশা প্রকাশ করছেন, কোন আশায়-কিসে উপর ভিত্তি করে? বিএনপি নিজেদের এমন কোন সাংগঠনিক তৎপরতা নেই, যার উপর ভিত্তি করে সরকারকে অস্থিতিশীল করতে পারে, তাহলে তারা ভাবছে কেন সরকারের পতন হবে? নিজেদের সক্ষমতা নেই তারা এখন ধর্ম ব্যবসায়ী হেফাজত ও জামাতিদের মাথায় ভর করছে। তারা ভর করছে বলেই এধরণের কথা বলছে।


তিনি আরও বলেন, গান পাউডার হেফাজতিদের কাছে থাকার কথা না, সাধারণ মানুষের কাছে থাকার কথা না। এই গান পাউডার ৭১সালে রাজাকার-আলবদর ও জামাতের বিভিন্ন নাশকতামূলক কার্যক্রমে ব্যবহার করতে দেখেছি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নাশকতায় গানপাউডারের ব্যবহার দেখে এটা পরিস্কার হয়ে গেছে, হেফাজতের কাধে ভর করেছে জামায়াত-বিএনপি। পরিকল্পিত ভাবে বিএনপি,হেফাজত ও জামায়াত মিলিত ভাবে এই নাশকতা করেছে।

webnewsdesign.com

বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন স্থান দেখে প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, গত ১২ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার যে উন্নয়ন করেছে, যা এখন দৃশ্যমাণ হয়েছে।দেশ উন্নয়নশীল রাষ্টের স্বীকৃতি পেয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে যে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, বিশেষ করে ১৭ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত যে কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে তাতে ৬৫টি দেশের রাষ্ট্র প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। বাংলাদেশ এক সময় মিসকিন রাষ্ট্র ছিল, ব্যর্থ রাষ্ট্র ছিল সেই রাষ্ট্র আজ সকলের কাছে অনুকরণীয়। সাংবাদিকেরা সমাজের দর্পন। আপনারা দেখেছেন প্রতিটি দেশের সরকার প্রধান কি বার্তা দিয়েছে, কি প্রশংসা করে। এসব স্বাধীনতা বিরোধী পরা শক্তি ও তাদের প্রেতাত্মাদের পছন্দ হয়নি। এই বিষয় গুলো নিয়ে তারা সমাজে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাচ্ছে।
তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ও হাটহাজারীতে যে তান্ডব হয়েছে এটা হেফাজতে ইসলাম নামে ধর্ম ব্যবসায়ী দল আছে তারাই শুধু না, এর পেছনে বিএনপি ও জামায়াত সম্পৃক্ত ছিল তা প্রমাণিত। ছাত্রদলের ক্যাডাররা বোমা ফাটিয়েছে। তাদের এর মধ্যে সংশ্লিষ্টতা কেন?

তিনি আরও বলেন, আমরা পরিদর্শন শেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিস্তারিত জানাব। বিএনপি, জামায়াত বা হেফাজত যেই কোন তাদের শাস্তি নিশ্চিত করে জানাতে হবে স্বাধীন রাষ্ট্রে এধরণের নাশকতামূলক কর্মকান্ড করা যাবে না।

এসময় তার সাথে ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, অর্থবিষয়ক সম্পাদক ওয়াসিকা আয়েশা খান এমপি, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, স্থানীয় সাংসদ র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার প্রমুখ।


মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com