আপডেট

x

প্রতারণা মামলায় জামিন পেলেন দেবাশীষ বিশ্বাস

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০ | ৫:৪০ অপরাহ্ণ | 74 বার

প্রতারণা মামলায় জামিন পেলেন দেবাশীষ বিশ্বাস

উপস্থাপক ও নির্মাতা দেবাশীষ বিশ্বাস প্রতারণার মামলায় জামিন নামঞ্জুরের আদেশের সাড়ে তিন ঘণ্টা পর পুনর্বিবেচনায় জামিনে পেলেন।


ঢাকার অতিরিক্ত মূখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে বুধবার আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তার জামিন নামঞ্জুরের আদেশ দেন।

webnewsdesign.com

এরপর দেবাশীষ বিশ্বাসের আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন। তিনি বলেন, ভুল বোঝাবুঝির কারণে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি আপসের কথাবার্তা চলছে। এ অবস্থায় আসামির জামিনের প্রার্থনা করছি। শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুরের সাড়ে তিন ঘণ্টা পর আদালত ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় বাদীপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মহিবুল হাসান আপেলের জিম্মায় আপসের শর্তে জামিনের আদেশ দেন। আদালত বলেন, আপোস না হলে আগামী ধার্য তারিখে জামিন বাতিল করা হবে।

২০১৯ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাংবাদিক লিটন সরকার ইমন বাদী হয়ে দেবাশীষ বিশ্বাস ও তার মা গায়েত্রী বিশ্বাসের নামে প্রতারণার মামলা করেন। আদালত অভিযোগের বিষয়ে মিরপুর রূপনগর থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। রূপনগর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মোকাম্মেল হোসেন তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

বাদী মামলার এজাহারে দাবি করেন, লিটন সরকার তার সিএন টিভি বাংলা চ্যানেলে জন্য দেবাশীষ বিশ্বাসের মা গায়েত্রী বিশ্বাস প্রযোজিত চারটি বাংলা চলচ্চিত্র ‘মায়ের মর্যাদা’, ‘শুভ বিবাহ’, ‘অপেক্ষা’ এবং ‘অজান্তে’ সিনেমার ভিডিও ও গান কপিরাইটের বাণিজ্যিক সত্ত্ব কিনতে আগ্রহী হন। আসামিরাও বিক্রয়ে আগ্রহী হন। ‘মায়ের মর্যাদা’ ও ‘শুভ বিবাহ’ সিনেমার কপিরাইট এবং বাণিজ্যিক স্বত্ব এক লাখ টাকায়, ‘অপেক্ষা’ ও ‘অজান্তে’ ৪০ হাজার টাকা নির্ধারিত হয়। লিটন সরকার ২০১৯ সালের ৩০ জুলাই আসামিদের নগদ দেন। চুক্তির শর্ত মতে ৬০ বছরের জন্য বাদী কপিরাইটের বাণিজ্যিক স্বত্ব লাভ করেন। আসামিরা আর কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে চারটি ছবির কপিরাইট ইতোপূর্বে কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রয় কিংবা হস্তান্তর করেননি বলে জানান। বাদী সেগুলো তার সিএন টিভি বাংলা ইউটিউবে আপলোড করেন। কিন্তু ইউটিউব কর্তৃপক্ষ কপিরাইট অনুযায়ী চ্যানেলটি বন্ধ করে দেয়।

পরে বাদী খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন এ চারটি চলচ্চিত্র আসামিরা তার আগেই ২০১৭ সালে অন্য দুজন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেন। যার ফরে ইউটিউব চ্যানেল কর্তৃপক্ষ ছবিগুলো আপলোড করার পর লিটন সরকার ইমনের চ্যানেল বন্ধ করে দেয়। বাদী ইউটিউব কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দলিলপ্রাপ্ত হয়ে নিশ্চিত হন, আসামিদের দ্বারা তিনি সুস্পষ্ট প্রতারণার শিকার হয়েছেন এবং আসামীরা চুক্তিপত্র সম্পাদন করে অন্যায়ভাবে অর্থ আত্মসাতের করেছেন।


মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com