পরিচয় গোপন রেখে ইউএনও’র নামে করা ছিনতাই মামলা খারিজ,বাদি-আইনজীবিকে তিরস্কার

মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩ | ১১:৩৭ অপরাহ্ণ |

পরিচয় গোপন রেখে ইউএনও’র নামে করা ছিনতাই মামলা খারিজ,বাদি-আইনজীবিকে তিরস্কার
ফাইল ছবি
Spread the love

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এইচ ইফরান উদ্দিনের বিরুদ্ধে ‘ছিনতাইয়ের অভিযোগে’ মামলা করায় বাদী ও তার আইনজীবীকে তিরস্কার করেছেন আদালত। একইসঙ্গে মামলাটি খারিজেরও আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে, আশিকুর রহমান বাদী হয়ে ইউএনও’র বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন।

webnewsdesign.com

এই মামলায় সোমবার (২৯ মে) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসমা জাহান নিপা এক আদেশে উল্লেখ করেন, ইউএনও’র পরিচয় গোপন করে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তীতে তিনি আদালতের অনুমতি ছাড়া ২-৩ আসামীর নাম অন্তভূক্ত করেন এবং এনআইডি নম্বরে ওভার রাইটিং। ইউএনও প্রজাতন্ত্রের একজন সম্মানিত ব্যক্তি। এ নালিশ গ্রহনের কোনো যুক্তিসংগত হেতু না থাকায় নালিশটি ২০৩ ধারায় খারিজ করা হলো। বাদী ও বাদী পক্ষে কৌসুলিকে মামলা দেওয়ায় তিরস্কার করা হলো।

এর আগে আশুগঞ্জের সোনারামপুর গ্রামের বাসিন্দা সাংবাদিক আশিকুর রহমান তার মামলায় অভিযোগ করেন, গত বছরের ২১ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে চারটার দিকে আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু শামার একটি ইটভাটার সামনে থেকে তার স্যামসাং ব্র্যান্ডের একটি মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য জিনিস ছিনতাই হয়। তবে ছিনতাই মামলা পুলিশ নিতে চাইবে না বলে এ ঘটনায় চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি আশুগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। বিষয়টি তদন্ত করেন আশুগঞ্জ থানার সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মুহাম্মদ মুজিবুর রহমান। পুলিশের তদন্তে মুঠোফোন ব্যবহারকারী হিসেবে আসামীর নাম হিসেবে ইরফান উদ্দিনের (ইউএনও) নাম আসে। আমিও বিষয়টি নিশ্চিত হই। অফিস কর্মচারি ফয়সাল ফোনটি দিবে দিবে করে দেয়নি। উল্টো ফোনের কাগজপত্র দেওয়াসহ নানা কথা বলতে থাকেন। এ অবস্থায় তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ইউএনওকে আসামী করা হয়।

বিষয়টির ব্যাখা দিয়ে বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফরান উদ্দিন বলেন, ‘এটি আমার জন্য একটা শিক্ষা। মোবাইল ফোনটি মুলত আমার অফিসের কর্মচারি জালাল ভৈরব থেকে কিনে আনে। তাকে যে সিমটি দেই সেটি আমার নামে নিবন্ধিত। মূলত জালাল তার নামে সিম তুলতে পারছিলো না বলে যোগাযোগ রক্ষায় তাকে আমারটা দিয়েছিলাম। বিষয়টি নিয়ে আশিকুর রহমান অনেক মিথ্যাচার করেছেন।’

মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com