ধীরে ধীরে মুরুব্বি শূণ্যতার দিকে যাচ্ছে কওমী অঙ্গন

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০ | ১:১৭ পূর্বাহ্ণ | 332 বার

ধীরে ধীরে মুরুব্বি শূণ্যতার দিকে যাচ্ছে কওমী অঙ্গন

ধীরে ধীরে কওমী অঙ্গন মুরুব্বি শূন্যতার দিকে যাচ্ছে। সম্প্রতি ২০২০সাল শুরুর লগ্ন থেকেই একে একে বিদায় নিচ্ছে কওমী অঙ্গনের উল্লেখযোগ্য শীর্ষ উলামায়ে কেরাম। নতুন বছর শুরু থেকে আজ পর্যন্ত দেশের শীর্ষ পর্যায়ের অসংখ্য আলেম উলামা যারা (কুতুব, মুস্তাজাবুদ্দাওয়াহ ছিলেন) আমাদেরকে এতিম করে মহান রাব্বুল আলামিনের ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেছেন। ফখরে বাঙ্গাল তাজুল ইসলাম (রাহঃ) থেকে শুরু করে আমরা দিনে দিনে আমাদের মুরুব্বি ও দেশবরেণ্য আলেমকে হারিয়েছি।


এমনভাবে আলেম উলামা একে একে চলে যাওয়া শুভলক্ষণ নয়। কারণ একজন আলেমের মৃত্যুকে একটি জাহানের মৃত্যু বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আলেম উলামাদের মৃত্যু বরণের মধ্য দিয়ে কোনদিকে যাচ্ছি আমরা, কোনদিকে যাচ্ছে কওমী অঙ্গন, কোনদিকে যাচ্ছে বাংলাদেশের ইসলাম তা আল্লাহতায়ালা ই ভালো জানেন।

এইভাবে একে একে আলেম উলামাদের নিয়ে যাওয়ার মধ্যে কি হেকমত রয়েছে তা মহান রাব্বুল আলামিন ই একমাত্র জানেন।

কওমীর বর্তমান প্রজন্মকে তাদের আকাবির আসলাফদের রেখে যাওয়া মিশন বাস্তবায়নে ইসলামের পতাকাকে সমুন্নত রাখতে এলেম,তাকওয়া আর এখলাসের ভীত গড়তে হবে । যারা চলে যাচ্ছেন তাদের মতো না হতে পারলেও অন্তত তাদের অনুসৃত পথ আঁকড়ে ধরে রাখতে হবে।

এতদিন অসংখ্য মুরুব্বিদের ছায়া ছিলো আমাদের মাথার উপর। এখনো মুষ্টিমেয় যে কয়েকজন জীবিত আছেন(আল্লাহতায়ালা তাদের হায়াতের মধ্যে বরকত দান করুণ) তাদেরকে আমরা কদর করি মূল্যায়ন করি।নেয়ামত চলে যাওয়ার পর আফসোস করে লাভ হবে না।

আখেরি জমানায় দাড়িয়ে রাবেয়া বসরী তালাশ করলে পাওয়া যাবে না, যেখানে আমাদের মতো অধম নিকৃষ্ট মানুষের বসবাস।


তা-ই, এখনো যেসব মুরুব্বিগণ জীবিত আছেন তাদেকে আল্লাহ প্রদত্ত নেয়ামত হিসেবে গ্রহণ করে মূল্যায়ন করতে কার্পন্য করা চলবেনা।

রাবেয়া বসরী তালাশ করতে গেলে নিজেকে জুনায়েদ বোগদাদি কিংবা সুফিয়ান সওরি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

অতএব আসুন, মুরুব্বিদের অনুসৃত পথ ও মতের উপর ভিত্তি করে আমরা শুরু করি নবযুগের সূচনা।

লেখক-
যুগ্ম সম্পাদক
ইসলামী ঐক্যজোট
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা।

মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com