তারা মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে-বুলবুল

শনিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ১০:০৮ অপরাহ্ণ | 2179 বার

তারা মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে-বুলবুল
ফাইল ছবি

আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে স্থানীয় আ’লীগ মনোনীত দলীয় প্রার্থী হাবিবুর রহমান স্টিফেনের বিষয়ে আনা অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রতিবাদ করেছেন নবীনগরের এমপি এবাদুল করীম বুলবুল। তিনি দৈনিক সরোদের সাথে আলাপকালে এই প্রতিবাদ জানান। সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, যারা মনোনয়ন পায়নি তারা দলের মধ্যে বিশৃংখলা, বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্যে এবং আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যে তারা এটি করেছে।


শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে তৃনমূলের মতামতকে উপেক্ষা করে কুখ্যাত রাজাকার গোলাম আযমের নিকট আত্মীয়কে আওয়ামীলীগের প্রার্থী করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করে দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত পাঁচ প্রার্থী। এতে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চেয়াম্যান পদে  মনোনয়ন বঞ্চিত জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌস,  কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের উপ কমিটির সহ সম্পাদক,উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য কাজি জহির উদ্দিন সিদ্দিক টিটু ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আল আমিন। এছাড়াও দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম শফিক ও হাবিবুর রহমান হাবিবের পক্ষে প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

এ নিয়ে দলের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করায় তাদের বিরুদ্ধে দলীয় শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগ আনবেন বলে জানিয়েছেন নবীনগরের সংসদ সদস্য এবাদুল করিম বুলবুল। তিনি তাদের দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্বে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দলের সকলের মতামত নিয়ে হাবিবুর রহমানের নাম কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। হাবিবুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে নবীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

এ ছাড়া তৃনমূলের মতামত নেয়ার দিনে সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মী এবং জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলম সরকার সহ সকলেই উপস্থিত ছিলেন। তখন সবাই সর্বসম্মতিক্রমে আমাকে পছন্দের প্রার্থী বাছাই করতে দায়িত্ব দেন। তখন সবাই বলেন আপনি যেহেতু স্থানীয় এমপি, আপনাকে ৫বছর নতুন নির্বাচিত চেয়ারম্যানকে নিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম চালাতে হবে। সে সময় কোন শর্ত ছিল না কতজন প্রাথী বাছাই করা হবে। পরবর্তীতে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক এমপি ফাইজুর রহমান বাদল দেশের বাইরে থাকায় সাধারণ সম্পাদক এম এ হালিম ও সিনিয়র সহ সভাপতি নিয়াজ খান কে নিয়ে পরামর্শ করে প্রার্থী দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, এখানে কেউ প্রভাবিত করা বিষয় নয়, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি হয়েছে সাংগঠনিক ভাবে। যাকে প্রার্থী করা হয়েছে তিনি দলের নতুন লোক নন। হাবিবুর রহমান দলের সহ সভাপতি হয়েছেন সম্মেলনের মাধ্যমে।

বুলবুল বলেন, যারা মনোনয়ন পায়নি তারা দলের মধ্যে বিশৃংখলা, বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্যে এবং আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যে তারা এটি করেছে।তিনি আরো বলেন, তাদের বিরুদ্ধে দলীয় শৃংখলা ভঙ্গের বিষয়ে অভিযোগ আনা উচিৎ। বিষয়টি আমি দলকে অবহিত করব। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আল আমিন যেহেতু বর্তমানে দলের কোন পদে না থাকায় সে ছাড়া বাকিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হবে।


মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com