একটা ব্রিজ বানাতে গেলেও ছেলে সাহেবের পর খালেদা জিয়া খেতেন: আইনমন্ত্রী

শনিবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৯:২০ অপরাহ্ণ |

একটা ব্রিজ বানাতে গেলেও ছেলে সাহেবের পর খালেদা জিয়া খেতেন: আইনমন্ত্রী
Spread the love

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এমপি বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদার নাম উল্লেখ করে বলেছেন, একটি ব্রিজ বানাতে গেলে প্রথম খেতো উনার এমপি সাহেব, এরপর খেতো মন্ত্রী সাহেব, তার ছেলে সাহেব এবং তারপর উনি খেতেন। তিনি মনে করেছিলেন শেখ হাসিনাও ওইরকম। কিন্তু শেখ হাসিনা ওইরকম না। শেখ হাসিনা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মেয়ে এবং তিনি সেই ভাবেই কাজ করেন। তিনি মানুষের সেবা করেন এবং মানুষের টাকা মানুষকে পৌঁছে দেন।

আজ শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

webnewsdesign.com

এসময় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এমপি বলেন, পদ্মা সেতুতে যখন বিশ্ব ব্যাংক সহ অন্যান্য সাহায্য সংস্থা গুলো বলেছে টাকা দিব না, তখন তিনি বাংলাদেশের মানুষের টাকা পদ্মা সেতু করেছেন। বাংলাদেশের মানুষকে আগে মিসকিন বলা হতো, বলা হতো তলাবিহীন ঝুড়ি। সেই বাংলাদেশ মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত করিয়েছেন। তিনি আপনাদেরকে মর্যাদা এনে দিয়েছেন। অনেকেই বলেছিল এই পদ্মাসেতু দিয়ে গাড়ি চলবে না। তারা কিন্তু এখন গাড়ি চালিয়ে এই পদ্মাসেতুর উপর দিয়ে যাওয়া আসা করেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, একটা এতিম মহিলা। তিনি ইচ্ছা করলে সকল কিছু ছেড়ে দিয়ে অত্যন্ত ভালভাবে বিদেশে থাকতে পারতেন, কিন্তু তিনি সেটা করেন নাই। তিনি তার ছেলে মেয়েদের মানুষ করার দায়িত্ব ছোট বোনকে দিয়ে ১৯৮১ সালে বাংলাদেশে নেমেছিলেন তার বাবার অসমাপ্ত কাজকে সমাপ্ত করতে। তিনি নিজেও বলেছেন ১৯৯১ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান বিচারপতি শাহবুদ্দিন আহমেদ বলেছিলেন, আপনি তো সরকার গঠন কর‍তে পারেন না। সেসময় সরকার গঠন করতে হলে জামায়াত বা অন্যান্য দলের সাথে ঐক্যবদ্ধ হতে হতো। তিনি তখন শাহবুদ্দিন সাহেবকে বলেছিলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী হতে বাংলাদেশে আসি নাই। আমি বাংলাদেশে এসেছি, আমার বাবার স্বপ্ন পুরন করতে। আমি বাংলাদেশের সেদিন প্রধান মন্ত্রী হবো, যেদিন প্রধানমন্ত্রী হলে আমি কাজ করতে পারবো। এবং তিনি সেদিন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, যেদিন তিনি কাজ শুরু করতে পেরেছিলেন।

ইউপি আওয়ামী লীগের এই বর্ধিত সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান রাশেদুল কাউসার ভূইয়া জীবন, কসবা পৌরসভার মেয়র এমএ জি হাক্কানী সহ দলীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com