জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা

দিন

ঘন্টা

মিনিট

সেকেন্ড

আশুগঞ্জ রেল স্টেশনে বি-গ্রেডের সুযােগ-সুবিধা চান যাত্রীরা

বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ | ৭:৫৭ পিএম | 79 বার

আশুগঞ্জ রেল স্টেশনে বি-গ্রেডের সুযােগ-সুবিধা চান যাত্রীরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ রেলস্টেশনকে বি-গ্রেডের সকল সুযােগ সুবিধা ও রেল যাত্রীদের নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষােভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল উপজেলার আশুগঞ্জ গােলচত্তর এলাকায় জাগ্রত আশুগঞ্জবাসী নামে একটি সংগঠনের আয়ােজনে এই মানববন্ধন, প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষােভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, সামাজিক সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সহস্রাধীক লােকজন উপস্হিত ছিলেন। জাগ্রত আশুগঞ্জবাসী সংগঠনটির সাথে আশুগঞ্জের ২৭টি সংগঠন একাত্বতা পােষণ করেছেন।

জাগ্রত আশুগঞ্জবাসী সংগঠনের আহবায়ক ও উপজেলা আওয়ামীলীগ এর আহবায়ক হাজী মাে. ছফিউল্লাহ মিয়ার সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাে. হানিফ মুন্সি, সংগঠনের সদস্য সচিব মাে. মােবারক আলী চৌধুরী, ফিরােজ মিয়া কলেজের প্রভাষক মাে. মিজানুর রহমান, আশুগঞ্জ শহর, শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি গােলাম হােসেন ইপটি, আশুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আতাউর রহমান কবির, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শাহীন শিকদার, বীর মুক্তিযাদ্ধা মােজাম্মেল হক গােলাপ, ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতি হাবিবুল্লাহ বাহার, মানবিক আশুগঞ্জের সভাপতি আলাউদ্দিনসহ আরাে অনেকেই।

সভায় বক্তারা বলেন, আশুগঞ্জ রেলস্টেশনটিকে বি গ্রেড থেকে ডি গ্রেডে অবনমনের প্রতিবাদে ২০১৭ সালের জুন থেকে আন্দােলন করে যাচ্ছে এই সংগঠনটি। এরই ধারাবাহিকতায় রেলপথ মন্ত্রনালয় বিষয়টি নিয়ে সুরাহা হয়। সেখানে লিখিতভাবে বলা হয় রেলস্টেশনটি বি-গ্রেড বহাল থাকবে। পাশাপাশি ১১টি দাবি তারা মেনে নিয়ছিলেন। কিন্ত এখনাে পর্যন্ত কােন দাবিই রক্ষা করেননি রেল কর্তৃপক্ষ। দুই বছর পরে এখন আবারাে স্টেশনটি বি-গ্রেড থাকলেও এই গ্রেডের কােন সুযােগ সুবিধা পাচ্ছেনা যাত্রীরা। তাই অনতিবিলম্বে স্টেশনটিতে বি-গ্রেডের সকল সুযােগ সুবিধা বাস্তবায়নের দাবি জানান তারা। অন্যথায় ৪ জানুয়ারি সকালে আশুগঞ্জ রেলস্টশনে অবস্থান ধর্মঘট পালনের কর্মসূচি ঘােষনা করেন। পাশাপাশি সেখান থেকে পরবর্তিতে বৃহৎ আন্দােলনে যাওয়ার ঘােষনা দেন তারা।

উল্লেখ্য, দিন ও রাত প্রতিনিয়ত চুরি হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের সিগন্যালের মূল্যবান তার ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি। থাকে না কােন পুলিশ কিংবা নিরাপত্তার দায়িত্ব কােন লােক। অন্যদিকে ২১ জন জনবলের বিপরিতে স্টেশনটিতে আছে মাস্টারসহ চারজন কর্মকর্তা ও কর্মচারী। লােকবলের অভাবে তিন মাস যাবত বন্ধ রয়েছে স্টেশনের সিগন্যালিং ব্যবস্থা। এত যাত্রীদের চরম দূর্ভােগ পােহাতে হচ্ছে। বিভিন্ন সমস্যার কারনে এ ক্যাটাগরির এই স্টেশনটি ডি ক্যাটাগরিতে পরিনত হয়েছে। এতে করে ফুসে উঠেছে আশুগঞ্জবাসী।

মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com