আপডেট

x

আখাউড়ায় সরস্বতী পূজা মন্ডপে ফুটে উঠেছে সমৃদ্ধির বাংলাদেশ

বুধবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৩ | ১০:০৩ অপরাহ্ণ | 29 বার

আখাউড়ায় সরস্বতী পূজা মন্ডপে ফুটে উঠেছে সমৃদ্ধির বাংলাদেশ

সংসদ ভবন, পদ্মা সেতু, মেট্টো রেল, বঙ্গবন্ধু টানেল, পারমানবিক কেন্দ্র, আশ্রয়ণ প্রকল্প, মডেল মসজিদ। বাংলাদেশের উল্লেখ্যযোগ উন্নয়ন কর্মকান্ডে স্থাপনা একই স্থানে। শিল্পীর নিখুঁত কারুকাজ আর রং তুলির আঁচরে সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে এক একটি শিল্পকর্ম। যেন ছোট্ট পরিসরে এক টুকরো স্বপ্নের বাংলাদেশ। দেখলে চোখ ফেরানো যায় না। কোনটি রেখে কোনটির দিকে তাকাই। তবে এটি সরকারের কোন প্রদর্শনী নয় সরস্বতী পূজা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ব্যতিক্রম এ পুর্জা মন্ডপ তৈরী করা হয়েছে।


স্থানীয় অরুণ সংঘ পৌরশহরের রাধানগরে একটি বিদ্যালয় চত্বরে ভিন্ন থিমের পুজা মন্ডপ সাজিয়েছে। নাম দিয়েছে ‘সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’। ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের পাশাপাশি জনগণের সামনে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন কর্মকান্ডকে তুলে ধরা এবং জ্ঞানের পরিধি বাড়ানোয় তাদের উদ্দেশ্য। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি সরস্বতী পুজা। দুই দিন ব্যপী পুজা অনুষ্ঠানে থাকছে ধর্মীয় আলোচনা, ব্রাহ্মণসংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

webnewsdesign.com

বুুধবার দুপুরে রাধানগরে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের গেটে পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় ১০০ ফুট লম্বা পদ্মা সেতুর নমুনা। সম্পূর্ণ ককশীট দিয়ে সেতুর অবিকল নকশা নির্মাণ করা হয়েছে। সেতুর ভেতরে রয়েছে ট্রেন। শ্রমিকরা শেষ মুহুতের্র সাজসজ্জার কাজে ব্যস্ত। বিদ্যালয়ের ভেতরে একপাশে মেট্টো রেল, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরের আদলে কয়েকটি ঘর। বঙ্গবন্ধু টানেল, রুপপুর পারমানবিক কেন্দ্র। একপাশে সংসদ ভবন। সংসদ ভবনেই হবে পুজার আনুষ্ঠানিকতা। পুজা মন্ডপ হলেও এখানেও শোভা পাচ্ছে রয়েছে মডেল মসজিদের একটি নমুনা। শিল্পীরা ককশীট, রং আর অন্যান্য সরঞ্জাম দিয়ে প্রতিটি নকশা ফুটিয়ে তুলছেন নিখুঁতভাবে। দর্শনার্থীদের দৃষ্টি কড়েছে ব্যতিক্রম এ পুজা মন্ডপ। বিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এক পলক চোখ বুলিয়ে নিচ্ছেন পথচারীরা। পুরো এলাকায় উৎসবের আবহ বিরাজ করছে। ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা ঘুরে ঘুরে দেখছে এসব শিল্পকর্ম।

জানা যায়, প্রায় ৪০ বছর আগে অরুন সংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। মূলত সরস্বতী পুজার আয়োজন করে সংগঠনটি প্রথম দিকে ছোট্ট পরিসরে পুজার আয়োজন করা হলেও। বিগত ৬/৭ বছর ধরে থিম পুজার আয়োজন করা হয়। একেক বছর একেকটি ভিন্ন থিম প্রদর্শণ করা হয়। গত বছর পুজার পাঠাগার থিমটি ব্যাপক প্রশংসা কুঁড়ায়।

কথা হয়, পুজা মন্ডপের কারিগর শিল্পী শাহাদাত হোসেনের সাথে। তার বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম। ছোট বেলা থেকেই ড্র্ইং পেইন্টিংয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল। তিনি নিজে নিজেই এসব শিখেছেন। তিনি বলেন, গত ১ মাস ধরে ২ জন শ্রমিক নিয়ে নকশা তৈরিতে কাজ করছেন। তবে এক সপ্তাহ ধরে ৭ জন শ্রমিক নিয়ে কাজ করছে।

অরুণ সংঘের সভাপতি সাংবাদিক বিশ্বজিৎ পাল বাবু বলেন, পুজার ধর্মীয় রীতি স্বাভাবিক রেখে মানুষের সামনে ভিন্ন কিছু উপস্থাপন করাই আমাদের এ থিম পুজার আয়োজন। এখানে আমরা দেশের উল্লেখ্যযোগ্য উন্নয়নগুলো উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি।


 

মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com