অবশেষে বুধবার উদ্বোধন হচ্ছে প্রতীক্ষিত ই-পাসপোর্ট

রবিবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২০ | ৪:১৫ অপরাহ্ণ | 130 বার

অবশেষে বুধবার উদ্বোধন হচ্ছে প্রতীক্ষিত ই-পাসপোর্ট

আগামী বুধবার (২২ জানুয়ারি) ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে। রোববার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ই-পাসপোর্ট ভবন ও ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম উদ্বোধন সংক্রান্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২২ জানুয়ারি সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অধিকতর নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সম্বলিত ই–পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনার উদ্বোধন করবেন। এই পাসপোর্ট বহির্বিশ্বে বাংলাদেশি পাসপাের্টের গ্রহণযােগ্যতা বৃদ্ধি করবে এবং পাসপোর্টের নিরাপত্তা অধিকতর নিশ্চিতকরণসহ ই-পাসপাের্ট এর মাধ্যমে বিদেশ ভ্রমণ ও ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সহজ হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের আওতাধীন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযােগীতায় জার্মান কোম্পানি ভেরিডোস জিএমবিএইচ কর্তৃক ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।

এসময় বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

তিনি জানান, ২০১০ সালে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) ও মেশিন রিডেবল ভিসা (এমআরভি) চালু হয়েছে। আন্তর্জাতিক চলাচলের ক্ষেত্রে অধিকতর নিরাপত্তা সংরক্ষণ এবং আন্তঃসীমান্ত চলাচলকে আরও সহজ, ঝামেলাহীন ও সময় সাশ্রয় করতে যুগের চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে, উন্নত দেশের কাতারে জাতীয় অবস্থান ও মর্যাদা সুসংহত করার লক্ষ্যে ‘ইমিগ্রেশন ও পাসপাের্ট অধিদফতর বাংলাদেশে ই-পাসপাের্ট প্রবর্তন ও ই-গেট চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ই-পাসপাের্টের চিপ-এ পাসপোর্টধারীর বায়োগ্রাফিক ও বায়োমেট্রিক তথ্যাদি সিল্ড অবস্থায় সুরক্ষিত থাকবে। ডিজিটাল সিগনেচার প্রযুক্তির সাহায্যে ই-গেটের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৩০ (ত্রিশ) সেকেন্ড সময়ে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পাসপোর্টধারীর প্রকৃত তথ্য ও ফেসিয়াল রিকগনিশন যাচাই করা যাবে।

মন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে আঞ্চলিক পাসপাের্ট অফিস উত্তরা, যাত্রাবাড়ী এবং বিভাগীয় পাসপাের্ট ও ভিসা অফিস আগারগাঁও হতে এই কার্যক্রম চালু করা হবে। এছাড়াও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ৭২টি আঞ্চলিক ও বিভাগীয় অফিসে এবং বাংলাদেশস্থ ৮০টি বৈদেশিক মিশনে পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম চালু করা হবে।


তিনি আরও বলেন, ই-পাসপোর্ট প্রবর্তনে বাংলাদেশে পাসপাের্টের নিরাপত্তা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং ই-গেট ব্যবহার করে যাত্রীগণ সহজে ও স্বাচ্ছন্দে দেশে-বিদেশে ভ্রমণ করতে পারবে। এ ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের পাসপাের্টের মান আরও উন্নত হবে এবং গ্লোবাল পাসপাের্ট পাওয়ার র‌্যাংকিংয়ে মান বাড়বে। ফলে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভিসা পাওয়া সহজতর হবে- যা আমাদের জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com