প্রচন্ড তাপদাহে জনজীবনে দুর্ভোগ

বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ১১:১৮ অপরাহ্ণ | 27 বার

প্রচন্ড তাপদাহে জনজীবনে দুর্ভোগ

প্রচন্ড তাপদাহে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ। চারিদিকেই হাসফাস অবস্থা। কোথাও যেন স্বাভাবিক অবস্থা নেই। আশ্বিন মাসে তাপমাত্রা কম থাকার কথা থাকলেও দিনদিন তাপমাত্রা বাড়ছে। এতে করে চারিদিকে দেখা দিয়েছে গরমজনিত রোগ।
এদিকে প্রচন্ড গরমে বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষজন। তারা ঠিকমতো কাজ করতে না পারায় পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্ট করছে। গরমের কারনে শিক্ষার্থীরা ঠিক মতো লেখাপড়া করতে পারছেনা। প্রচন্ড গরমের কারনে স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে পড়াশুনা করতে পারছেনা।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো ৩৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে আজ তাপমাত্র কিছুটা কমবে বলে জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ভুক্তভোগীরা জানান, দিনের বেলা তীব্র গরমের কারনে কষ্ট করলেও রাতের বেলা একটু শান্তি ঘুমাতে পারিনা।
রিক্সাচালক মতিন মিয়া বলেন, প্রচন্ড গরমের কারনে আমরা ঠিকমতো রিক্সা চালাতে পারছিনা। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্ট করছি।
অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র বলেন, মর্নিং শিফটে আমার ক্লাস। সকাল ৮ টার পরেই তীব্র রোদে আমরা  ঠিকভাবে ক্লাশ করতে পারছিনা। প্রচন্ড গরমে রাস্তা দিয়ে হেটে বাসায় আসা-যাওয়া করতে কষ্ট হয়।
অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীর মা তাফান্নুম আক্তার বলেন, অনেক গরম। এই গরমের কারণে বাচ্চারা স্কুলে যেতে চায় না। আর স্কুল থেকে এই গরমে বাসায় যাওয়ার পর তারা খুবই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কারণ তারা তো তীব্র রোদে স্কুলে ছুটাছুটি, খেলাধুলা করে থাকে। আমার বাচ্চারতো কয়েকদিন ঘাঁমাছি ও গরমজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়েছিল।  ডাক্তার পরামর্শ দিয়েছেন দিনে কয়েকবার গা মুছিয়ে দিতে ও কম ঘামার চেষ্টা করাতে। কিন্তু বাচ্চাদের ছোটাছুটি থামিয়ে রাখবেন কীভাবে?
এ ব্যাপারে ডা. মাসুমা কাওসার বলেন, রোদের তাপ খুবই তীব্র। এজন্য সকলতে বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে বেশি। তিনি রাস্তার পাশে বিক্রি করা শরবত না পান করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, গরমের কারনে জ্বর বা  অন্য কোনো রোগের ল¶ণ দেখা দিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

মন্তব্য করুন

Development by: webnewsdesign.com